চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি থেকে জায়েদ খানের সদস্যপদ স্থগিতের যে প্রক্রিয়ার কথা শোনা গেছে, তা বাস্তবায়িত হলে চিত্রনায়িকা নিপুণের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন এই অভিনেতা।
১ এপ্রিল নিপুণকে পাঠানো চিঠির জবাবে এ কথা উল্লেখ করেছেন জায়েদ।
সম্প্রতি শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিপুণের পাঠানো কারণ দর্শানোর চিঠিকে আদালত অবমাননা উল্লেখ করেছেন জায়েদ খান।
তিনি এই চিঠির জবাবে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় নিজেকে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক দাবি করে ইস্যু করা চিঠিটি সুপ্রিম কোর্টের মহামান্য আপিল বিভাগ অবমাননার শামিল।
“বিচারাধীন মামলাটি Frustrate করার অসৎ উদ্দেশ্যে ২২ ফেব্রুয়ারি ইস্যু করা হয়েছে। উক্ত অবৈধ নোটিশের প্রেক্ষিতে গৃহীত যে কোনো অবৈধ কার্যকলাপের সাথে সম্পৃক্ত হলে দেশের সর্বোচ্চ আদালত অবমাননার জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন।”- নিপুণকে দেয়া চিঠিতে এমনটাই উল্লেখ আছে।
এ সময় জায়েদ খান নিজের অবস্থান পরিস্কার করে জানান, কোনো আইনপরিপন্থী কাজ করেননি। যার ফলে নিপুণকে সমস্ত অবৈধ কার্যকলাপ থেকের বিরত থাকার আহবান জানান।
শিল্পী সমিতির নির্বাচিত কমিটি থেকে অভিনেত্রী সুচরিতা ও চিত্রনায়ক রুবেলের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। সেইসাথে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের সদস্যপদ স্থগিত হতে যাচ্ছে রবিবার। শিল্পী সমিতি সূত্রে সমিতির বিষয়টি জানা গেছে।
এদিকে সদস্যপদ বাতিল প্রক্রিয়ার পূর্বে জায়েদ খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। ঐ নোটিশে জায়েদ খানকে, নিপুণ সম্পর্কে ইউটিউবে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে স্বাক্ষর রয়েছে নিপুণের।
জায়েদ খানের কারণ দর্শানোর চিঠিতে বলা হয়েছে, জায়েদ খান বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল ও গণমাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তারের বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন। শিল্পী সমিতি মনে করে, যা সমিতির সংগঠনের ৭(ক) ধারায় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। যা সমিতির সদস্য হিসেবে কাম্য নয়। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে শিল্পী সমিতি জায়েদ খানের সদস্য পদ স্থগিত করতে যাচ্ছে।








