২০০৭ সালে ফাইনালে গিয়েও ট্রফি না পাওয়ার বেদনা নিয়ে আসর শেষ করেছিল ব্রাজিল। ছেলেদের ফুটবল বিশ্বকাপে রেকর্ড পাঁচবার শিরোপা জিতলেও মেয়েদের সেই অর্জন এখনো অধরা। নবম আসরে আক্ষেপ ঘোচানোর মিশনে সেলেসাওরা শুরুটা দারুণ করেছে। প্রথমবার বিশ্বআসরে খেলার সুযোগ পাওয়া পানামাকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্বকাপে নিজের অভিষেক ম্যাচেই হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়েছেন আরি বোর্হেস।
সোমবার অ্যাডিলেডের হিন্ডমার্শ স্টেডিয়ামে এফ গ্রুপে ব্রাজিল কতটা আগ্রাসী ছিল, তা মাঠের খেলায় প্রমাণ করেছে। ৭৩ শতাংশ সময় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল বল। ৩২ শটের ভেতর ১০টিই লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। পানামা ৬টির বেশি শট নিতে পারেনি, যার ভেতর দুটি লক্ষ্য বরাবর ছিল।
ম্যাচের শুরু থেকে সেলেসাওরা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। ১৯ মিনিটে পেয়ে যায় লিড। বাঁ-প্রান্ত দিয়ে অনেকটা দৌড়ে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়া দেবিনহার লম্বা ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে নিশানাভেদ করেন আরি বোর্হেস। গোলের পর ২৩ বর্ষী মিডফিল্ডার আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন। হাত দিয়ে মুখ ঢেকে নেন।
খেলার ৩৯ মিনিটে ডান পায়ের শটে জালে বল জড়িয়ে আবারো গোলের দেখা পান বোর্হেস। বিরতির আগেই দুই গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
সাম্বার দেশটির তৃতীয় গোলেও ভূমিকা রাখেন বোর্হেস। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনার সামনে থেকেও গোলপোস্ট থেকে মাত্র আট গজ দূরে দাঁড়িয়ে নেননি শট। নিঃস্বার্থ মানসিকতার পরিচয় দিয়ে ব্যাকহিলে বিয়া জানেরাত্তোকে বল দেন। সুযোগ কাজে লাগিয়ে জানেরাত্তো ৪৮ মিনিটে বাঁ-পায়ে লক্ষ্যভেদ করেন।
৭০ মিনিটে বোর্হেস ঠিকই হ্যাটট্রিকের দেখা পান। বাঁ-প্রান্ত থেকে আক্রমণে ওঠার এক পর্যায়ে গেইস ফেরেইরা দেন ক্রস। বল পেয়ে হেড করেন বোর্হেস। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার ইয়েনিথ বেইলির দুই পায়ের ফাঁক গলে বল জালে জড়ালে তার হ্যাটট্রিক হয়ে যায়।








