যৌতুকের দাবিতে শারীরিক-মানসিক নির্যাতন এবং জোরপূর্বক বিবাহ বিচ্ছেদের চাপে আইনের আশ্রয় চাওয়ার পর মানবাধিকারকর্মী সাধনা মহল আরও হয়রানির শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক ও আইনজীবীসহ দেশের ৩৮ নাগরিক। গণমাধ্যমে ৪ মে পাঠানো বিবৃতিতে তারা বলেছেন, সাধনার পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তিদেরও ভয়ভীতি দেখানো ও হয়রানি করার চেষ্টা চালিয়েছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্সের টিম লিডার গোবিন্দ বর বিয়ের নামে ওই নারীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এতে ভুক্তভোগী এক সময় আদালতের শরণাপন্ন হন এবং জনপরিসরে প্রতিবাদ করেন। সে সময় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ-অপবাদ দেওয়ার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে হয়রানি করা হয়। মানবাধিকারকর্মী ও গবেষক রেজাউর রহমান লেনিন, মানবাধিকার আইনজীবী রওশন আরা লিনা এবং সাংবাদিক ইসমাইল আহসান ভুক্তভোগী নারীর পাশে দাঁড়ালে তাদেরও সাইবার নিরাপত্তা আইনে হয়রানির চেষ্টা করা হয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘ঢাকায় অবস্থিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল সেই অপচেষ্টাকে বাতিল করেছেন।’
আইনের অপপ্রয়োগের বিরোধিতা করে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জবাবদিহির আওতায় আনাতে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ চেয়েছেন বিবৃতিদাতারা। তাদের মধ্যে রয়েছেন উন্নয়নকর্মী ইশরাত জাহান, সাংবাদিক অধরা ইয়াসমিন, আইনজীবী মঞ্জিলা ঝুমা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সিরাজাম মুনিরা, গবেষক মাইদুল ইসলাম, বাউল শিল্পী রিতা দেওয়ান, মানবাধিকারকর্মী শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রমুখ।







