সূত্র: ডয়েচে ভেলে (ডিডব্লিউ)।
যেকোনো প্রাণি কামড় দিলে আমরা সচেতন হয়ে নানা ধরেনের ভ্যাক্সিন এবং ওষুধ ব্যবহার করে থাকি। তবে বিড়াল বেশিভাগ সময় পোষা থাকে তাই বলে বিড়ালের কামড়কে তেমন একটা গুরুত্ব দেয়া হয় না। বিড়ালের কামড় খেলে সেটাকে কম গুরুত্ব দেয়া ঠিক নয়।
বিড়ালের কামড় উপর থেকে দেখলে মনে হতে পারে তেমন কিছু হয়নি। কিন্তু বিড়ালের দাঁত সরু ও সূক্ষ হওয়ায় ত্বকের গভীরে মারাত্মক সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই বিড়ালের কামড় খাওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
জার্মানির রস্টক বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের ডা. আলিস ভিশেলহাউস বলেন, বিড়ালের কামড় বিপজ্জনক হতে পারে। কারণ এগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয় না।
ফলব্রেশটক নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমার জীবনে আমিও বিড়ালের কামড় খেয়েছি। হাসপাতালে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমার ধারণা ছিল না বিড়ালের কামড় এত মারাত্মক হতে পারে। বিড়াল আমাকে আমার আঙ্গুলে কামড়ে দেয়। এরপর আমি হাত ধুয়ে সেখানে প্লাস্টার লাগিয়ে কাজে চলে যাই। এটা নিয়ে খুব একটা ভাবেননি। কিন্তু সন্ধ্যার সময় খেয়াল করলাম কিছু একটা সমস্যা হয়েছে। হাতে ব্যথার সাথে জ্বর চলে আসে আমার।
ডা. ভিশেলহাউস জানান, বিড়ালের কামড়ের সংক্রমণ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কখনও সেটা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হয়, এবং এটা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আরও খারাপ হতে পারে৷ ফলে আপনি এমনও দেখতে পারেন যে, পরীক্ষার ফল আসা পর্যন্ত সময়ের মধ্যেই আপনার সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, অনেক সময় বিড়ালের কামড়ের জন্য শুধু অ্যান্টিবায়োটিক পর্যাপ্ত ছিল না। অনেক ক্ষেত্রে অপারেশনের প্রয়োজন হয়।








