চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

সচিবালয়ে সেদিন কী ঘটেছিলো?

মাহবুব মোর্শেদমাহবুব মোর্শেদ
১০:২৮ অপরাহ্ন ৩০, নভেম্বর ২০২৪
- টপ লিড নিউজ, বাংলাদেশ
A A

অর্থ বিভাগের একজন যুগ্ম সচিবকে বদলি এবং নন-ক্যাডার পদ থেকে উচ্চ পদে (সহকারী সচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্মসচিব) পদ সংরক্ষণের দাবিতে সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) পর্যন্ত তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছে একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ ঘটনায় হঠাৎ-ই অস্থিরতা ছড়িয়েছে দেশের প্রশাসনিক কেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়ে।

সচিবালয়ে এমন বিক্ষোভের কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছে চ্যানেল আই অনলাইন, বেরিয়ে এসেছে নানা কারণ।

ঘটনার শুরুটা বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের ৯ দফাকে কেন্দ্র করে। যার মধ্যে রয়েছে প্রশাসনে ক্যাডার কম্পোজিশন রুল অনুযায়ী ফিডার পদধারীদের আনুপাতিক হারে পদ সংরক্ষণ করা। যুগ্ম-সচিব পর্যন্ত পদন্নাতি প্রাপ্তিসহ ভূতাপেক্ষ জৈষ্ঠতা প্রদান, নিয়মিত চাকরির ন্যায় ভূতাপেক্ষভাবে আর্থিক সুবিধাদি প্রদানের নির্দেশনার মতো বিষয়গুলো।

এসব দাবির প্রেক্ষিতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের জন্য সহকারি সচিব/সিনিয়র সহকারী সচিব/উপসচিব/যুগ্ম-সচিব এর নতুন সৃষ্ট পদের এক-তৃতীয়াংশ হিসেবে বহির্ভূতদের জন্য সংরক্ষণের বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেখানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে মোট ৯ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।

দায়িত্বপ্রাপ্ত এ কমিটি কর্মচারীদের দাবি নিয়ে দু’দিন আলাদা আলাদা সেশনে আলোচনা করে। যার প্রেক্ষিতে চলতি মাসের (নভেম্বর) ৬ তারিখ কমিটির সকলের কাছে দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিস্তারিত মতামত চাওয়া হয়। সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের নয় দফা দাবির কিছু কিছুতে যৌক্তিকতা থাকলেও কিছু কিছু জায়গায় ‘আইনগত গ্যাপ’ আছে বলে কমিটির সদস্যদের পক্ষ মতামত দেওয়া হয়।

কী সিদ্ধান্ত ও কেন আন্দোলন
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে: চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য দু’দিনের মিটিং যথেষ্ট না হলেও কর্মচারীদের চাপের মুখে কমিটির সদস্যদের মতামত দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে কমিটির সদস্যরা লিখিত আকারে তাদের মতামত দেন।

Reneta

এই মতামত গিয়ে জমা পড়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌহিদ বিন হাসানের কাছে। তিনি চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করেন।

চ্যানেল আই অনলাইন আরও জানতে পেরেছে: সহকারী সচিব এবং সহকারী সচিব (ক্যাডার বহির্ভূত) একপদ নয়। এতে আইন-বিধানগত ভিন্নতা রয়ে যায়। তাই এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জটিলতা নিরসনে তিনি ভিন্ন নামে পদ সৃষ্টির পরামর্শ দেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব।

সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিলো কিন্তু বিপত্তি বাধে যখন অর্থমন্ত্রণায়ের অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব নাদিরা সুলতানার মতামত আন্দোলনরত কর্মচারীদের হাতে গিয়ে পড়ে। কারণ হিসেবে জানা যায় ওই প্রতিবেদনের কিছু অংশ আন্দোলনরতদের বিপক্ষে গিয়েছিলো। যদিও প্রতিবেদন তৈরির পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে আন্দোলনরত কর্মচারীদের যুক্ত থাকার কথা নয়।

২৬ নভেম্বর কী হয়েছিল?
এরমধ্যে ২৫ নভেম্বর সোমবার আন্দোলনরত কর্মচারীদের একটি গ্রুপ অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগে গিয়ে যুগ্মসচিবকে তাদের পক্ষে মতামত দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পরদিন ২৬ নভেম্বর মঙ্গলবার আন্দোলনরত কর্মচারীদের দু’জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান এবং আসলাম অর্থবিভাগে গিয়ে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করতে বলেন। এই সময় তার রুমে আরও দু’জন নারী উপ-সচিব বসা ছিলেন।

তারা স্বাক্ষরের জন্য খোলা ফাইল নিয়ে এসেছিলো। খোলা ফাইল তাদের কাছে কোনভাবেই দেওয়ার বিধান নেই। যদি তাদের হাতে ফাইল দিতেই হয় তাহলে সেটা সিলগালা করা থাকার কথা ছিলো।

৯ দফা দাবিতে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থান

আলোচনায় ১৭ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন
মন্ত্রণালয়ের সূত্র আরও বলছে: ওই সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব তাদের জিজ্ঞেস করেন- আমার মতামত এখানে আছে? তারা উত্তরে বলেন আছে। তখন তিনি ওই প্রতিবেদনটি পড়ে দেখতে চান। ১৭ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে নিজের মতামত দেখতে না পেয়ে তিনি বলেন- আমি তো আমার মতামত এখানে দেখতে পাচ্ছি না। আর প্রতিবেদনটিও বেশ বড় আমি একটু ভালোভাবে পড়ে দেখে স্বাক্ষর করে দিচ্ছি। জিয়াউর এবং আসলামকে তিনি তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তার (পিও) রুমে গিয়ে বসতে অনুরোধ করেন। তারা গিয়ে সেখানে বসেন।

‘কিন্তু যুগ্ম-সচিব ওই প্রতিবেদনে তার মতামতের প্রতিফল দেখতে পান না। শুধু একটা লাইনে তার দুই পাতার মতামত শেষ করা হয়েছে। ঠিক এমন সময় পিও এসে খবর দেন- জিয়াউর রহমান অসুস্থ অনুভব করছেন, তার ব্লাড প্রেসার লো হয়ে গেছে। তিনি এবং তার সঙ্গে থাকা অন্য দুই উপ-সচিব দ্রুত পিও’র রুমে গিয়ে তাকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বলেন। তাকে সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এমন সময় আসলাম অন্য আন্দোলনরতদের ফোন করে জানান, যুগ্ম-সচিব নাদিরা সুলতানার দুর্ব্যবহারের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন জিয়াউর। আন্দোলন বেগবান করার জন্য চিত্রনাট্য এবং প্লট যেন আগে থেকেই তৈরি করা ছিলো।’

উত্তেজিত আন্দোলনরত কর্মচারীরা তৎক্ষণাৎ সেখানে এসে হট্টগোল শুরু করেন। এসময় যুগ্ম-সচিব এবং অন্যান্যরা মন্ত্রণালয়ের সচিবের রুমে গিয়ে অবস্থান নেন। উত্তেজিত কর্মচারীরা সেখানে হট্টগোল সৃষ্টি করে। এসময় আন্দোলনরতদের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত নাদিরা সুলতানাকে স্বাক্ষর করতে হবে না, এই মর্মে আন্দোলনরতরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সেই প্রতিবেদন তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে গিয়ে অবরোধ করে।

পরে যুগ্ম-সচিব যখন অফিস থেকে বাসায় ফিরছিলেন তখন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা তাকে সচিবালয়ের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে, এমন ব্যাখ্যায় ওই প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করে দিতে বলেন। পরে একজন অফিসার ওই প্রতিবেদন রাস্তায় থাকা যুগ্ম-সচিবের কাছে নিয়ে গেলে, তিনি সেই প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করে দেন। এরপর থেকে ঊর্ধ্বতনদের পরামর্শে তিনি ছুটিতে রয়েছেন বলে সচিবালয়ের বেশ কিছু সূত্র আমাদের করেছে।

সচিবালয়ের নেতা ও কর্মকর্তারা কী বলছেন?
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মো. বদিউল কবীর দাবি করেছেন: যুগ্ম-সচিবের এরূপ অসদাচরণের জন্য এবং সচিবালয়ের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য করে বিশৃঙ্খলার দায়ে অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব ড. নাদিরা সুলতানাকে অবিলম্বে সচিবালয় থেকে দ্রুত বদলি ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের দায়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে আমরা কথা বলার চেষ্টা করেছি সচিবালয়ে বর্তমানে কর্মরত এবং আগে কাজ করে গেছেন এমন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন একজন যুগ্ম-সচিব, যিনি আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছেন।

তিনি চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছেন: ৩৮ বছর আগে ১৯৮৩ সালের এনাম কমিটির সুপারিশ ও জনবল কাঠামো অনুযায়ী চলছে প্রায় সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তর। কোথায় জনবল উদ্বৃত্ত রয়েছে আবার কোথায় কম রয়েছে, সেটা দেখে সংস্থানের দায়িত্ব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। যখন কোথাও জনবল বেশি হয়ে যায় সরকার তাকে চাকুরি থেকে বাদ দেয় না। নতুন কোথাও সংস্থান করে। এভাবে চাকুরি করতে করতে সকলেই উপরের দিকে যেতে চায়। ভালো একজন কর্মকর্তা একটা ভালো পজিশনে গিয়ে চাকুরি জীবন শেষ করুক এটা আমরাও চাই।

তিনি বলেন: এবার কিছু দাবি দাওয়া সামনে এসেছে। এরমধ্যে কিছু দাবি যৌক্তিক আবার কিছু অযৌক্তিক দাবিও রয়েছে। সেটা পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি করা হয়েছিলো। সেখানে সকলে সকলের মতামত দিয়েছেন। আইনী কাঠমো বিবেচনায় কমিটির সদস্য হিসেবে সে তার মতামত রেখেছেন। এখানে তার ব্যক্তিগত ভালোলাগা-মন্দলাগার বিষয় নেই। সে যদি ভুল কিছু করে একটা সময় গিয়ে তাকে প্রশ্নে মুখোমুখি হতে হবে। আর এটাই শেষ নয়। এই প্রতিবেদনই চূড়ান্ত কিছু না। এটা সচিব থেকে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে যাবে। পর্যালোচনার পর সেখানে পাশ হলে প্রধান উপদেষ্টার কাছে যাবে। তিনি অনুমোদন দিলেই চূড়ান্ত অনুমোদন হবে।

যুগ্ম-সচিবকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে টার্গেট করা হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন: এখন এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, চাপ সৃষ্টি করলেই যেকোন দাবি আদায় করা সম্ভব। সেই চর্চা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এখানে স্টেকহোল্ডার অনেক। এ বিষয়ে যদি সিদ্ধান্তে আসতে হয় পুরো প্রক্রিয়া মেনে হয়তো দু-তিন বছরও সময় লেগে যেতে পারে। সেখানে এখনই বাস্তবায়নের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। আর বাস্তবায়নের জন্য তাকে একটা ইস্যু হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে। কিন্তু তারা বুঝতে পারছে না, এই মতামত যুগ্ম-সচিবের নয়; মন্ত্রণালয়ের মতামত। অর্থ মন্ত্রণালয়কে আইনী দিক এবং সরকারের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করে মতামত দিতে হয়।

৯ দফা দাবিতে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থান

নাদিরা সুলতানা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন:  সে প্রশাসনের অতীত বর্তমান সব বিষয়েই অবগত। সে আমার কয়েক ব্যাচ জুনিয়র, কিন্তু প্রায় ২০ বছরের বেশি সময় থেকে আমি তাকে চিনি। ভালো কিছু পেতে হলে তার কাছ থেকেই পাওয়া সম্ভব। এ গ্যারান্টি আমি দিতে পারি। তার মতো অফিসারদের ভালোভাবে কাজ করতে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন উপসচিব আমাদের জানান: যুগ্ম-সচিব ম্যাডাম তার মন্ত্রণালয়ের অবস্থান থেকে মতামত জানিয়েছেন। এটা পলিসি ডিসিশন, এখানে নিজস্ব মতামত বলতে কিছু নেই। একক কোন ব্যক্তি কোন পদক্ষেপ আটকাতে চাইছেন, এমন দাবি আমি ডিজঅ্যাগ্রি করবো। আইনী কাঠামোতে না মিললে কেউ চাইলেও এখানে কিছু দিবে পারবে না। আমি তাকে খুব কাছ থেকে চিনি। তিনি কারও সঙ্গে জোরে কথাও বলেন না। সেখানে দুর্ব্যবহারের প্রশ্নই আসে না। এটা ইস্যু ক্রিয়েট করে দাবি আদায়ের একটা অপচেষ্টা মাত্র। সেদিন আমি সচিবালয়েই ছিলাম। যেভাবে তাকে ঘেরাও করা হলো, সেটা খুবই দুঃখজনক। তার সঙ্গে আরও দু’জন জয়েন সেক্রেটারি লেডি অফিসার ওই রুমে ছিলেন। তাদের সঙ্গে এমন পরিস্থিতি নিন্দনীয়। সবচেয়ে বড় কথা এটা এমন একটি বিষয় যে: উপ-সচিব, যুগ্ম-সচিব পর্যায়ের কমিটি এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারবে না। এখানে আন্তঃমন্ত্রণালয় সচিব কমিটি গঠন করতে হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আরেকজন উপ সচিব বলেন: একজন পিয়ন বা অফিস সহকারী অথবা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার যদি সহকারী সচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্মসচিব হয়ে যায়, তাইলে আর বিসিএসের দরকার কী। নাদিরা সুলতানা স্যার একজন ভালো অফিসার। উনি হয়ত তাদের এসব অযৌক্তিক দাবি মেনে নেননি। উনার না মেনে নেওয়াটা স্বাভাবিক। দাবি না মানলে পদ ছাড়তে হবে বা বদলি করতে হবে এগুলো অযৌক্তিক।

সেদিনের ঘটনা জানতে চ্যানেল আই অনলাইন সবমিলিয়ে ৭ জন উপ-সচিব এবং যুগ্ম-সচিবের সঙ্গে কথা বলেছে। সবাই মোটামুটি একই রকম ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।

আইনে কী বলা আছে?
১৯৯২ সালের একটি গেজেটের আওতায় সচিবালয় সার্ভিসের নিম্নতম পদ সহকারী সচিবের এক তৃতীয়াংশ পদ সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে সেখানে বলা হয়েছে নব-গঠিত সার্ভিসে সেগুলো অন্তর্ভূক্ত হবে না। পরে সচিবালয় সার্ভিস বিলুপ্ত করে প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে একীভূত করা হয়।  এরপর থেকে সহকারী সচিব, সিনিয়র সহকারি সচিব এবং উপসচিব পদে ৩৩, ২৫ ও ১০ শতাংশ হারে পদায়ন করা হচ্ছিলো।

এখন তারা সব ক্যাডারে এই সংরক্ষণ ব্যবস্থার বাস্তবায়নের দাবি করছেন। সেই সঙ্গে যুগ্ম-সচিব পদও তাদের দাবিতে নতুন যুক্ত হয়েছে।

ট্যাগ: অ্যাডমিন ক্যাডারআকরাম কমিশননন-ক্যাডারপ্রশাসন ক্যাডারবাংলাদেশ সচিবালয়সচিবালয়সচিবালয়ে অস্থিরতা
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে আবারও বড় পতন, ভরিতে কমেছে প্রায় ১৬ হাজার টাকা

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

চ্যানেল আইতে ফুলেল অভ্যর্থনা সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নদের

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

নাইটক্লাবের ঘটনায় ‘সতীর্থদের বাঁচাতে’ মিথ্যা বলেছিলেন ব্রুক

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

নামাজে থাকা শাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যা, পুত্রবধূ আটক

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

জুলাইয়ের মধ্যেই জাতিসংঘের তহবিল শূন্য হওয়ার আশঙ্কা

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT