টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে একাদশে না থেকে ব্যাপক আলোচনায় ছিলেন রবীচন্দ্রন অশ্বিন। বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ের প্রথম ও অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয় স্থানে থাকা ক্রিকেটারের বাদ পড়া নিয়ে বয়েছিল সমালোচনার ঝড়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হারের পর সেই সমালোচনা পায় নতুন মাত্রা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে একাদশে ঢুকে যেন তিনি আগের বাদ পড়ার ঝালটাই মেটালেন। ম্যাচে ১২ উইকেট নিয়ে ভারতের ইনিংস ও ১৪১ রানের জয়ে রাখলেন বড় ভূমিকা।
দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে টসে জিতে আগে ব্যাটে নেমে অশ্বিনের ঘূর্ণিতে প্রথমদিনে ১৫০ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। জবাবে ভারত ৫ উইকেটে ৪২১ রান করে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে।
টেস্ট অভিষেকে চমক দেখান যশস্বী জয়সওয়াল। হাঁকিয়েছেন সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় দিনে সেঞ্চুরির দেখা পান ২১ বর্ষী ওপেনার। তৃতীয় দিনে তার ইনিংস থামে ১৭১ রানে। অধিনায়ক রোহিত শর্মাও হাঁকান সেঞ্চুরি, করেন ১০৩ রান। বিরাট কোহলির ব্যাটে আসে ৭৬ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে উইন্ডিজ আবারো ব্যাটিং ব্যর্থতায় পড়ে। অশ্বিনের বোলিংয়ের সামনে হয়ে পড়ে অসহায়। শুক্রবার টেস্টের তৃতীয় দিনেই ১৩০ রানে হয় অলআউট। বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে টিম ইন্ডিয়া। ৭১ রান খরচায় ৭ উইকেট তুলে নেন অশ্বিন। প্রথম ইনিংসে তিনি ৬০ রানে ৫ উইকেট তুলেছিলেন। ম্যাচে ১৩১ রানের বিনিময়ে পান ১২ উইকেট।
ক্রিকেটের কুলীন সংস্করণ টেস্টে প্রথমে বাবা এবং পরে ছেলেকে আউট করে অনন্য কীর্তিও গড়েন ৩৬ বর্ষী অশ্বিন। তেজনারায়ণ চন্দরপলকে আউট করে কীর্তিটি গড়েন। টেস্টে আগে উইন্ডিজের টপঅর্ডার ব্যাটার শিবনারায়ণ চন্দরপলকে আউট করেছিলেন ভারতীয় স্পিনার।
আরেকটি কীর্তি গড়েন ৩৬ বর্ষী অফব্রেক বোলার। তৃতীয় ভারতীয় বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭০০ উইকেটের দেখা পেয়েছেন। সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট শিকারের মাধ্যমে ৩৪ বার পাঁচ বা ততোধিক উইকেট নেয়ার অর্জনেও নাম লেখান এ তারকা।








