ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনের জন্য নির্মিত রায়হান রাফীর মুক্তি প্রতীক্ষিত ওয়েব ফিল্ম ‘অমীমাংসিত’ প্রদর্শনের উপযোগী নয় বলে জানিয়েছিল চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড। ওয়েব কনটেন্টের ওপর সেন্সর বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু থেকে হচ্ছিলো সমালোচনা।
৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বদলে গেছে প্রেক্ষাপট। শুধু অমীমাংসিত নয়, আরো যেসব চলিচ্চত্র সেন্সর বোর্ডে আটকে আছে- সবগুলোরই মুক্তি চাইছেন সিনেমা সংশ্লিষ্টরা। এমনকি সেন্সর প্রথারই বিলুপ্ত করার জোর দাবী জানাতে জোটবদ্ধ হয়েছেন অন্য নির্মাতারাও৷
এদিকে, রবিবার সকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথমদিন সচিবালয়ে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, যেসব চলচ্চিত্র আটকে আছে, সেগুলো পুনরায় বিবেচনা করা উচিত এবং নীতিমালা ভঙ্গ না হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ছেড়ে দেয়া উচিত।
তিনি বলেন, সেন্সর বোর্ড না থাকার একটি দাবি উঠেছে, সেটিও আমরা আলোচনা করে যৌক্তিকতার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেব।
সাম্প্রতিক সেন্সর বোর্ড থেকে মুক্তির অনুমতি না পাওয়া সিনেমার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ‘অমীমাংসিত’। রায়হান রাফী বলেন, শিগগির ‘অমীমাংসিত’ আবার সেন্সরে দেব। আমরা সবাই চাই, দ্রুত ‘অমীমাংসিত’ রিলিজ হোক। যেহেতু আইনগতভাবে আটকে রাখা হয়েছে, আমরা আইনগতভাবে সমাধান করবো। আশা করছি, দ্রুত সবকিছু সমাধান হবে।
”যদিও ওটিটিতে সেন্সরের নিয়ম নেই। তবুও আমাদের সেন্সর করতে বলা হয়েছিল। আমরা সেন্সর করেও ফেলেছিলাম। পরে হঠাৎ তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল, আমরা ‘অমীমাংসিত’ দর্শকদের দেখাতে পারবো না। আমরা পুনরায় তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে আবেদন করতে যাচ্ছি। আমরা তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে চাইবো, ‘অমীমাংসিত’ যেন ছেড়ে দেওয়া হয়।”
গুঞ্জন রয়েছে, সাংবাদিক দম্পতি খুনের ঘটনা অবল্বনে ‘অমীমাংসিত’ নির্মিত হয়েছে। রায়হান রাফী বলেন, একটি কাল্পনিক কাহিনি নিয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করেছি এবং সেই কেসটি ‘অমীমাংসিত’। বাংলাদেশে এমন অনেক কেস আটকে আছে। এখন গল্প যদি বাস্তবের সঙ্গে কিছুটা মিলে গেলেই তা দেখানো যাবে না, এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।








