কক্সবাজারের খুরুশকুলে একটি চিংড়ি ঘের থেকে ২ জন যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ঘেরের ২ জন শ্রমিককে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
আজ ১৭ মে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের মনুপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশের একই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য শামসুল আলমের চিংড়িঘের থেকে মরদেহ ২টি উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন, খুরুশকুল ইউনিয়ন পরিষদের মনু পাড়া গ্রামের জামালের ছেলে আবদুল খালেক (২৫) এবং আবু তাহেরের ছেলে মো. ইয়াছিন। তারা ২ জনই মৎস্যজীবী বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
স্থানীয় নাছির উদ্দিন বলেন, নিহতদের বিরুদ্ধে নানা সময় চুরির অভিযোগ শোনা যেত। এলাকাবাসীরা ধারণা করছেন, গত রাতেও তারা মাছ চুরি করতে আসলে ঘেরে লাগানো বৈদ্যুতিক শকে মারা যায়। খুরুশকুলের চেয়ারম্যান শাহজাহান সিদ্দিকী বলেন, গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছি। মরদেহের শরীরে একাধিক বৈদ্যুতিক শকের চিহ্ন রয়েছে।
নিহত ইয়াছিন আরাফাতের মা বলেন, আমার ছেলে গতকাল রাত ১০টার সময় বাড়ি থেকে বের হয়। আজ সকালে তার লাশ পাওয়া যায়। কে বা কারা হত্যা করেছে সে বিষয়ে কিছুই জানা নেই। তবে মরদেহ উদ্ধারের পর পরই স্থানীয়রা ঘের মালিক শামসুল মেম্বারের বসতবাড়ি ঘেরাও করেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ঘেরের দুই শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেন পুলিশ।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি ( তদন্ত) মছিউর রহমান বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদেনে মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, আঘাতগুলো বৈদ্যুতিক শকের। তবে মযনাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
তিনি আরও বলেন, হত্যার কারণ জানতে ঘেরের দুই শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জিম্মায় নেওয়া হয়েছে।









