যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের বিরুদ্ধে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা করেছেন।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ এক পোষ্টে ট্রাম্প অভিযোগ করে বলেন, নিউইয়র্ক টাইমস গত কয়েক দশক ধরে তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের অভিযান চালিয়ে আসছে এবং পত্রিকাটি এখন র্যাডিকাল লেফট ডেমোক্রেট পার্টির মুখপাত্রে পরিণত হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, আজ আমি গর্বের সঙ্গে নিউইয়র্ক টাইমসের বিরুদ্ধে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মানহানি ও কুৎসা রটনার মামলা দায়ের করেছি। এটি আমাদের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নিচু ও বিকৃত একটি সংবাদপত্রে পরিণত হয়েছে।
রিপাবলিকান এই নেতা দাবি করেন, নিউইয়র্ক টাইমস যেভাবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে সমর্থন করেছে, তা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অবৈধ প্রচারণা অনুদান।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংবাদপত্রটি তার পরিবার, ব্যবসা, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ এবং ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন (এমএজিএ)’ আন্দোলন নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছে যা পুরো জাতির বিরুদ্ধেই অপমান।
ট্রাম্প নিউইয়র্ক টাইমসকে অন্যান্য লিবারেল মিডিয়া যেমন এবিসি ও সিবিএস-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ এবং অগ্রহণযোগ্য অপব্যবহার করে আসছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, নিউইয়র্ক টাইমস দীর্ঘদিন ধরে আমাকে নিয়ে মিথ্যা, কুৎসা ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছে এবং এই অপচেষ্টা এখনই থেমে যাবে। মামলাটি ফ্লোরিডা রাজ্যে দায়ের করা হয়েছে।
তিনি তার বার্তার শেষাংশে নিজের পরিচিত স্লোগান দেন “মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন!”
ট্রাম্পের এই মামলা পূর্বের বেশ কয়েকটি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ধারাবাহিকতা। এবিসি নিউজের সঙ্গে করা এক মামলার নিষ্পত্তিতে ১৫ মিলিয়ন ডলার ট্রাম্প লাইব্রেরিতে অনুদান দিয়েছিলেন।
একইভাবে, সিবিএস-এর মূল কোম্পানি প্যারামাউন্ট কমলা হ্যারিসের এক সাক্ষাৎকার সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে ১৬ মিলিয়ন ডলার ট্রাম্প লাইব্রেরিতে অনুদান দেয়।








