যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে চলমান জল্পনার মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় টেন ডাউনিং স্ট্রিট থেকে জানানো হয়েছে, স্টারমারের দায়িত্বে কোনো পরিবর্তন আসছে না।
রোববার (২১ জুন) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেন, কিয়ার স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। তিনি বলেন, অভিবাসন ও জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয়ে স্টারমার ব্যর্থ হয়েছেন। বিশেষ করে উত্তর সাগরে তেল উত্তোলনের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি স্টারমারের সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে তার মঙ্গল কামনাও করেন ট্রাম্প।
তবে এই মন্তব্যের পর লন্ডনের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় থেকে জানানো হয়, সপ্তাহের শেষদিকে ট্রাম্প ও স্টারমারের মধ্যে কোনো ধরনের কথা বা যোগাযোগ হয়নি। ফলে ট্রাম্পের মন্তব্যের পেছনে সাম্প্রতিক কোনো আলোচনার ভিত্তি নেই। স্টারমারের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। গত শুক্রবার তিনি যেমন নিজের নেতৃত্ব বজায় রেখে রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন, এখনও সেই অবস্থানেই রয়েছেন।
এদিকে মন্ত্রিসভার সদস্য পিটার কাইল বলেছেন, স্টারমার সপ্তাহান্তের কিছু সময় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বাস্তবতা নিয়ে চিন্তাভাবনা করেছেন। তবে এটি তার পদত্যাগের কোনো ইঙ্গিত নয়।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবারের পর থেকে কিয়ার স্টারমারকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তবে সেদিন তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, তার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে তিনি প্রস্তুত এবং দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।







