কানাডায় বিশ্বখ্যাত হে লিটারেচার ফেস্টিভ্যালের আদলে রোদ্রকরোজ্জ্বল, উন্মুক্ত ২৬০ ডজ রোডস্থ টেইলর ক্রিক পার্কে ‘টরন্টো কবিতা উৎসব ২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে অংশ নেন বাংলা ও ইংরেজ ভাষী কবি এবং আবৃত্তিকাররা। খুবই অনানুষ্ঠানিক ছিমছাম প্রাকৃতিক পরিবেশে পার্কের বিচ্ছিন্ন বৃক্ষ ছায়াতল বেছে নিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমতো জায়গায় বসে স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কবিতা উপভোগ করেন দর্শকরা।
অনুষ্ঠান শুরু হয় বাংলাদেশ ও কানাডার জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে। উৎসবের শুরুতে টরন্টো কবিতা উৎসব প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হবে এই প্রত্যয় ব্যক্ত ও অন্যান্য বিষয় তুলে ধরেন উৎসবের অন্যতম আয়োজক কবি কাজী হেলাল।
অনুষ্ঠানে বংলা ভাষায় কবিতা পাঠ করেন টরন্টোয় বসবাসরত বিখ্যাত কবি, মুক্ত আবৃত্তিকার বৃন্দ এবং টরন্টোয় জনপ্রিয় আবৃত্তি দল অন্যস্বর ও বাচনিক। ইংরেজি ভাষায় কবিতা পড়েন কানাডার ৭ম পোয়েট লরিয়েট কবি জর্জ এলিয়ট ক্লার্ক, কবি রকো ডি গিয়াকমো, কবি রির্চাড গ্রীন এবং কবি জিয়োভান্না রিক্কো।
বাংলা ভাষায় কবিতা পড়েন বঙ্গবন্ধু গবেষণায় বাংলা একাডেমী পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, কবি সুলতানা শিরিন সাজি, কবি আতোয়ার রহমান ও রাশেদ শাওনসহ বাংলাদেশ থেকে আগত কবি জামিল রায়হান প্রমুখ।
কবিতা ও সাহিত্য বিষয়ক আলোচনা করেন সাংবাদিক ও লেখক সুমন রহমান, লেখক সুব্রত কুমার দাশসহ আরও অনেকেই। আবৃত্তিতে অংশ নেন আবৃত্তিকার দিলারা নাহার বাবু, আসিফ চৌধুরী, ইত্তেলা, শাপলা শালুকসহ অন্যান্য জনপ্রিয় আবৃত্তিকাররা।
পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে যন্ত্রসঙ্গীতে সঙ্গত করেন বিখ্যাত যন্ত্রী রুপতনু শর্মা এবং শব্দনিয়ন্ত্রণ করেন মামুনুর রশীদ। উৎসবের নান্দনিক অঙ্গসজ্জা সহযোগী টরন্টোর আঁকিয়ে সংগঠন আর্ট কোয়েস্ট এবং চিত্রশিল্পী কচি রানা। টরন্টো কবিতা উৎসব ২০২৪-এর দৃষ্টিকাড়া শৈল্পিক পোস্টার ডিজাইন করেন শিল্পী মোমেনউদ্দীন খালেদ। পুরো অনুষ্ঠান বাংলা ভাষায় উপস্থাপনা করেন বাচিক শিল্পী মেরী রাশেদীন এবং ইংরেজি ভাষায় উপস্থাপনা করেন সম্পূর্ণা সাহা। গ্রাফিক ডিজাইন পরিষ্ফুটন করেন রাশেদ শাওন ।
টরন্টো কবিতা উৎসবের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অন্যতম কবি আয়োজক মেহরাব রহমান। অনুষ্ঠানের নেপথ্যকর্মী হিসাবে কাজ করেন উৎসবের অন্যতম আয়োজক কবি নয়ন হাফিজ এবং পারভেজ চৌধুরী।








