আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেছেন, বাংলাদেশকে জানতে হলে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে। শিশুদের জন্য সোনার বাংলা গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সে লক্ষ্যে স্বাধীনতার পর নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধু সরকার। শিশুদের সুরক্ষার কথা ভেবে ১৯৭৪ সালে প্রণীত হয় শিশু আইন। ১৯৭৫ সালে আইনটির বিধিমালা হয়। অভিভাবকদের দায়িত্ব হচ্ছে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের জানানো।
শনিবার বিকালে চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার আয়োজনে ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিন উপলক্ষে দেশব্যাপী জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সুজিত রায় নন্দী বলেন, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের শাসন শোষণের বিরুদ্ধে ২৩ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে গেছেন। দেশের মানুষের জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন। তার অসমাপ্ত আত্ম জীবনী শিশু কিশোরদের বেশি করে পড়াতে হবে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছেন বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত, একদিকে শোষক অন্যদিকে শোষিত আমি শোষিতের পক্ষে। বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সুজিত রায় নন্দী শিশু কিশোরদের উদ্দেশ্য বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধূলা এবং সাংস্কৃতিক চর্চা করতে হবে। বাঙালি জাতী বীরের জাতি, তারা কখনো মাথা নত করেনা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দীন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল।
বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চাঁদপুর জেলার সভাপতি অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শাহ আলম মিয়া, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চাঁদপুর জেলার পৃষ্ঠপোষক জহিরুল ইসলাম নয়ন।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চাঁদপুর জেলার সহ সভাপতি আলী হোসেন মজুমদার।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চাঁদপুর জেলার ও বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।










