স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে এখনও হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু হয়েছে চারজনের। স্বতঃস্ফূর্ত জনগণ শত শত ট্রাকে ত্রাণ নিয়ে গেলেও নৌকার অভাবে প্রত্যন্ত এলাকায় পাঠানো যাচ্ছে না।
জানা যায়, ভারতের সীমান্তবর্তী ফটিকছড়ি উপজেলায় ১৮টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা মিলে জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় লাখ। স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় এ উপজেলার ৮০ ভাগ মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।
পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত ট্রাক ভর্তি ত্রাণ নিয়ে ফটিকছড়িতে পৌঁছেছে স্বতঃস্ফূর্ত মানুষ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা শতশত ট্রক ভর্তি ত্রাণ সমন্বয়ের অভাবে প্রত্যন্ত অঞ্চল ছাড়া শুধুমাত্র সড়কের পাশে বিতরণ করে যাচ্ছেন।
তবে নৌকার অভাবে প্রত্যন্ত এলাকায় ত্রাণ সরবরাহে বিলম্ব হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।
ফটিকছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেছেন, পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধার এবং ত্রাণ পৌঁছাতে সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।








