শেষ হয়েছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপ। বুধবার ৮ মে সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। প্রথম ধাপে দেশের ১৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নির্বাচনে বিজয়ীরা হয়েছেন, টাঙ্গাইলের নবাড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৩০ হাজার ৭৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আব্দুল ওয়াদুদ তালুকদার সবুজ। মধুপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৭৩ হাজার ৩২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আনারস প্রতীকের প্রার্থী ইয়াকুব আলী।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় বিজয়ী হয়েছেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৯৪২ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে বর্তমান সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন আল মাসুদ খান পেয়েছেন ৪২ হাজার ১৪৫ ভোট।
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতিক নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনফুজুর রহমান মিলন টানা চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪২ হাজার ৪৫৪ ভোট।
শেরপুরে শ্রীবরদী উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম জুয়েল হেলিকপ্টার প্রতীক প্রার্থী ২৫ হাজার ১২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় ঘোড়া প্রতীক প্রার্থী মো. পারভেজ কবীর ৪২ হাজার ৯৬৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীক প্রার্থী মো. মতিউর রহমান পেয়েছেন, ৩২ হাজার ৮০৭ ভোট। এ উপজেলায় পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান পদে চশমা প্রতীকে মো. আতাউর রহমান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে হাঁস প্রতীকে উন্মে কুলসুম বানু নির্বাচিত হয়েছেন।
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে (দোয়াত-কলম) নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক সিরাজুল মোস্তফা তালকুদার (আওয়ামী লীগ)। তিনি পেয়েছেন ১৬ হাজার ৯১০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ মনজুর হোসেন (আনারস) পেয়েছেন ১৬ হাজার ১১৬ ভোট। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন শওকত হোসেন বাদল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নাজমা আক্তার আঁখি।
মতলব উত্তরে মোহাম্মদ মানিক (ঘোড়া) ৩৩ হাজার ৭০৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন (আওয়ামী লীগ)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকে মুক্তার হোসেন পেয়েছেন ২০ হাজার ৯২ ভোট। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে রিয়াজউদ্দিন রিয়াজ আর মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন লাভলী চৌধুরী।
চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মোহাম্মদ মানিক (বামে) ও মতলব দক্ষিণ উপজেলায় অধ্যাপক সিরাজুল মোস্তফা তালকুদার বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন ।
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল মান্নান চৌধুরী চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ঘোড়া প্রতীক পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৪৮ ভোট। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে আমিরুল ইসলাম (তালা), মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শিরিন আক্তার (প্রজাপতি) বিজয়ী হয়েছেন। লাকসামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইউনুস ভুইয়া (আনারস) ৮১ হাজার ৩৯৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন।
ভাইস-চেয়ারম্যান পদে মহব্বত আলী (তালা) এবং মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে পড়শী সাহা (পদ্ম ফুল) বিজয়ী হয়েছেন। মেঘনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম তাজ (আনারস) ১৮ হাজার ৬০০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম (চশমা) এবং মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে দিলারা শিরিন (হাঁস) বিজয়ী হয়েছেন।
পাবনার সুজানগর উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোটরসাইকেল প্রতীকের আব্দুল ওহাব। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিনুজ্জামান শাহিন।
বান্দরবান সদর উপজেলায় মোটরসাইকেল প্রতীকে মো. আব্দুল কুদ্দুছ (বহিষ্কৃত জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের উপদেষ্টা) ১৯ হাজার ১৪৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আলীকদম উপজেলায় দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থী মো. জামাল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ) ৯ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় মো. আতাউর রহমান আতা (আনারস প্রতীক) ৬৭ হাজার ছয় ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু আহাদ আল মামুন (মোটরসাইকেল প্রতীক) পেয়েছেন তিন হাজার ৪৮৬ ভোট। আর খোকসা উপজেলায় আল মাছুম মুর্শেদ শান্ত (ঘোড়া প্রতীক) ২৫ হাজার ১০১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাবুল।
যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় ৫৯ হাজার ২৭৩ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমজাদ হোসেন লাভলু (আনারস প্রতীক)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন (মোটরসাইকেল প্রতীক) পেয়েছেন ৫২ হাজার ৭১৮ ভোট। কেশবপুরে ১৮ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ (ঘোড়া প্রতীক)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাসিমা সাদেক (শালিক প্রতীক) পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৬ ভোট।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় রাজিব আহম্মেদ তালুকদার (কাপ-পিরিচ) ৩৭ হাজার ৫৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিশ্বাস মুতিউর রহমান (আনারস) পেয়েছেন ৩৫ হাজার ১৫৪ ভোট।
রাঙামাটি সদর উপজেলায় ১৪ হাজার ৮৮৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি সমর্থিত প্রার্থী অন্ন সাধন চাকমা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট বিপ্লব চাকমা পেয়েছেন ১০ হাজার ২৯ ভোট। এখানে ভাইস চেয়ারম্যান পদে পলাশ কুসুম চাকমা ও মহিলা-ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছে রীতা চাকমা। তারা দুজনই জনসংহতি সমিতি সমর্থিত।
গাজীপুর সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ইজাদুর রহমান মিলন। কাপাসিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন আমানত হোসেন খান। কালিগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন আমজাদ হোসেন স্বপন।
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে আতাহার ইশরাক সাবাব চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৪৮ ভোট। ৬১টি কেন্দ্রের ফলাফলে সাবাব চৌধুরী ৭০৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী।
কিশোরগঞ্জে হোসেনপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪৯ হাজার ৫২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ সোহেল। এই উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে মোহাম্মদ আল আমিন (টিউবওয়েল) প্রতীক নিয়ে ৩৭ হাজার ৫৪১ ভোট এবং ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পদে ছাবিয়া পারভীন জেনী প্রতীক নিয়ে ৪৯ হাজার ৫২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন এমদাদুল হক জুটন। ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন ফজলুল হক বাচ্চু। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন শামসুন্নাহার আপেল। আনারস প্রতী নিয়ে চেয়ারম্যান পদে এমদাদুল হক জুটন পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ২৭ হাজার ৭৯১ ভোট।
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন মোঃ মনসুর আহমেদ খান জিন্নাহ। ৪৪ হাজার ৫৩৫ ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মোঃ আমিরুল ইসলামকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছেন।
মাগুরা সদর উপজেলায় ৮৩ হাজার ৫৭১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রানা আমির ওসমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ রেজাউল ইসলাম পেয়েছেন ৫০ হাজার ৮৬৩ ভোট। শ্রীপুর উপজেলায় ৪৪ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা শরিয়তউল্লাহ মিয়া রাজন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দী শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোতাসিম বিল্লাহ সংগ্রাম ভোট পেয়েছেন ২৯ হাজার ২৮১।
জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীক প্রার্থী বিজন কুমার চন্দ ৬৪ হাজার ৭৯৮ ভোট পেয়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন।








