২০০৭ সালের ২০ এপ্রিল সাত পাকে বাঁধা পড়েন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই ও অভিনেতা অভিষেক বচ্চন। হিন্দি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির কয়েকটি আলোচিত বিয়ের মধ্য অন্যতম ছিল এটি। তাদের এই বিয়েতে ‘ঘটকালি’র দায়িত্ব পালন করেছিলেন পরিচালক করণ জোহর।
২০০৬ সালে ‘উমরাও জান’ ছবির সেটে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের প্রেমে পড়েন অভিষেক। বিষয়টি জানতে পারেন করণ। এরপরই অভিনেতাকে সামনে আগাতে উৎসাহ দেন পরিচালক। তবে ঐশ্বরিয়াকে জীবন সঙ্গিনী করার পরিকল্পনায় যখন মশগুল ছিলেন অভিষেক ঠিক তখনই তাদের বিয়ের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন পরিবারের অনেকেই। যেই তালিকায় নাম রয়েছে অভিষেকের বোন শ্বেতা বচ্চনেরও।
ভারতীয় বেশ কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, অভিষেকের বোন শ্বেতা চাননি ঐশ্বরিয়া তার ভাইয়ের বউ হোক। তিনি চেয়েছিলেন অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর তার ভাইয়ের বউ হোক।
মূলত ২০০২ সালে সম্পন্ন হয়েছিল অভিষেক-কারিশমার বাগদান। যার ঘোষণাও এসেছিল বচ্চন ও কাপুর পরিবারের তরফে। কিন্তু পারিবারিক কিছু সমস্যার কারণে ভেঙে যায় তাদের বাগদান। এরপর অভিষেকের জীবনে আসেন ঐশ্বরিয়া।
কিন্তু শ্বেতা কখনোই অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার বিয়ে মেনে নেননি। ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে ভাইয়ের সম্পর্ক নিয়ে শুরু থেকেই খুশি ছিলেন না তিনি। শ্বেতা চেয়েছিলেন কারিশমা তার ভাবী হোক, ঐশ্বরিয়া নয়। শ্বেতা কারিশমাকে পছন্দ করতেন।
এমনকি দাবি করা হয় যে, অমিতাভ বচ্চন যখন অভিষেক ও কারিশমার বাগদান ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তখন শ্বেতা তার বাবার বিরুদ্ধে যান। এমনকি তিনি তার বাবা এবং মা জয়া বচ্চনকে বাগদান না ভাঙতে রাজি করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষমেশ সেই চেষ্টায় ব্যর্থ হন তিনি। – বলিউড লাইফ







