অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাচন করার ক্ষেত্রে স্বাধীন। পদে থেকে নির্বাচন করতে সংবিধানে কোনো বাধা নেই বলে উল্লেখ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারের কর্মচারী না। অ্যাটর্নি জেনারেল সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রের আইনজীবী। এটা সরকারি কোনো কর্মচারীর পদ না। অ্যাটর্নি জেনারেল ইজ ফ্রি টু গো ইলেকশন (অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাচন করার ক্ষেত্রে স্বাধীন)। ইভেন (এমনকি) ক্ষমতায় (পদে) থেকেও করতে পারেন। এখানে কোনো অ্যাম্বিগিউটির (অস্পষ্টতার) কিছু নাই। এটা সেটেল ল (প্রতিষ্ঠিত আইন)।’
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘যতক্ষণ অ্যাটর্নি জেনারল আছি, আমি অ্যাটর্নি জেনারেল। রাষ্ট্রের আইনজীবী এবং আমার দায়িত্ব পালনের সময় আমি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগ করেছি। এর বাইরে না, এর উপরে-নিচে কোনো জায়গায় না, আপনারা দেখেছেন।’
আরেক সাংবাদিকের প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের পক্ষে। ইভেন অ্যাটর্নি জেনারেল যদি মনে করে সরকারের কোনো অ্যাকশন (কাজ) ডিফেন্ডেবল (সমর্থনযোগ্য) না, রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর, আমি সরকারের বিরুদ্ধেও দাঁড়াতে পারি। দ্যাট ইজ ল (এটিই আইন)।’
পদে থেকেও নির্বাচন করা যায়? এমন আরেক প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আইন তাই বলে। সংবিধানে তো কোনো বার (বাধা) নেই।’
গতকাল নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন যে, ‘আমি নমিনেশন চেয়েছি। আমি ভোট করবো। আমি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে আছি এখনো। আমার অ্যাটর্নি জেনারেল পদ ছেড়ে দিয়ে আমি ভোট করবো। যখন সময় আসবে তখন (পদত্যাগ) করবো।’
উল্লেখ্য যে, মো: আসাদুজ্জামান ঝিনাইদহ – ১ (শৈলকূপা) বিএনপির হয়ে নির্বাচন করবেন বলে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। এই আসনে বিএনপি এখনো কাউকে মনোনয়ন দেয়নি।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মো: আসাদুজ্জামান বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। পরে ওই পদ থেকে পদত্যাগ করে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি।








