কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির আগে থেকে উন্নতি হয়েছে। তবে নিম্নাঞ্চলের পানি এখনও না কমায় কিছু এলাকার ঘর-বাড়িতে ফিরতে পারছে না মানুষ। গ্রামীণ রাস্তাঘাট তলিয়ে থাকায় স্বাভাবিক হয়নি যোগাযোগ ব্যবস্থাও।
বিদ্যালয়গুলো পাঠদানের অনুপোযোগী থাকায় প্রায় অর্ধ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।
কুড়িগ্রামে মৎস বিভাগ জানায়, বন্যায় প্রায় ৬০০ মৎস চাষীর সাড়ে ৬০০ পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ২৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, ধরলা, তিস্তা এবং দুধকুমার নদীর পানি কমলেও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি স্থিতিশীল থাকায় ওইসব এলাকার পানি নেমে যেতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।








