শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোন একক প্রার্থী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট না পাওয়ায় চলছে দ্বিতীয় দফার ভোট গণনা।
বিবিসি জানিয়েছে, দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ভোটাররা ৩ জন প্রার্থীকে ভোট দিয়ে থাকেন। দেশটির নির্বাচন কমিশন এখন ভোটারদের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পছন্দ গণনা করবে।
রোববার ২২ সেপ্টেম্বর ভোট গণনায় দেখা যায়, বামপন্থী অনুরা কুমারা দিসানায়েকে এগিয়ে থাকলেও নির্বাচিত হতে হলে যে মাইলফলক স্পর্শ করতে হয় তা থেকে অনেকটা দূরে রয়েছেন তিনি। দেশটির নির্বাচনী নীতিমালা অনুযায়ী, বিজয়ী হতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেতে হবে। তিনি পেয়েছেন ৪২ দশমিক ৩১ শতাংশ ভোট। বিরোধীদলীয় নেতা সজিথ প্রেমাদাসা ৩২ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন।
এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফার গণনায় কুমারা দিসানায়েক ও সজিথ প্রেমাদাসা ছাড়া বাকি সব প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন যেসব ভোটাররা প্রথম পছন্দ হিসেবে বাকি প্রার্থীদের ভোট দিয়েছিলেন, সেসব ভোটারদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পছন্দে কুমারা দিসানায়েক ও সজিথ প্রেমাদাসার নাম থাকলে তা গণনা করা হবে।
২০২২ সালে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সংকটের পরে ব্যাপক বিক্ষোভের মাধ্যমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসেকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর, প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো দেশটিতে। নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন এক কোটি ৭০ লাখের বেশি ভোটার।
১৯৮২ সালের পর থেকে শ্রীলঙ্কার আটটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রত্যেকটিতেই প্রথম দফাতেই বিজয়ী নির্ধারিত হয়েছে। এবারই প্রথম দ্বিতীয় দফায় গড়াল নির্বাচন। দেশের নির্বাচন কমিশন বলেছে, এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ছিল। তারপরও শনিবার রাতের দিকে ‘জননিরাপত্তার’ জন্য কারফিউ ঘোষণা করে পুলিশ।








