ব্রাজিল পাঁচটি বিশ্বকাপ জিতেছে স্বদেশি কোচের অধীনে। গত ৬০ বছর কোনো বিদেশি কোচও নিয়োগ দেয়নি তারা। ২০০২ সালের পর বিশ্বকাপ অধরা হওয়ায় ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তির দ্বারস্থ হয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। তবে এই হাই-প্রোফাইল কোচকে মেনে নিতে পারছেন না দেশটির প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা চীনে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘সত্যি কথা হচ্ছে বিদেশি হওয়ায় তার (আনচেলত্তি) বিরুদ্ধে আমার কোনও অভিযোগ নেই। কিন্তু আমি মনে করি ব্রাজিলকে পরিচালনার জন্য এখানেই যথেষ্ট সামর্থ্যবান কোচ রয়েছে।’
লুলা মূলত সামনে এনেছেন নিজ দেশের কাউকে কোচ করার প্রসঙ্গ। আদতে ব্রাজিল ফুটবলের দীর্ঘ ইতিহাসে প্রথম বিদেশি কোচ হচ্ছেন আনচেলত্তি। এর আগে কখনোই কোনো বিদেশি কোচ পূর্ণ মেয়াদে ব্রাজিলের কোচ হননি। ব্রাজিল জাতীয় দলে সর্বশেষ বিদেশি কোচ দেখা গেছে ১৯৬৫ সালে। পাশের দেশ আর্জেন্টিনার ফিলপো নুনেজ এসেছিলেন সেলেসাওদের কোচ হয়ে। তবে তিনি ছিলেন খণ্ডকালীন মেয়াদে।
আনচেলত্তির জন্যেও এটাই প্রথমবার কোনো দেশের জাতীয় দলের দায়িত্ব গ্রহণ। তবে কোচ হিসেবে তাকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। ক্লাব পর্যায়ে রয়েছে সুবিশাল অর্জন তার। ফুটবল দুনিয়ার একমাত্র কোচ হিসেবে ইউরোপের টপ ফাইভ লিগের সবকটিতেই জিতেছেন শিরোপা। সঙ্গে আছে কোচ হিসেবে পাঁচটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার অনন্য কীর্তিও।
দেশি কোচ পছন্দ না হলেও দ্য সিলভা অবশ্য আশাবাদী আনচেলত্তিকে নিয়ে, ‘আশা করছি গ্রেট টেকনিশিয়ান আনচেলত্তি ব্রাজিল দলকে সাহায্য করতে পারবেন। প্রথমে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে, এরপর যদি সম্ভব হয় তাহলে বিশ্বকাপ জিততে হবে।’








