গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশের ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগ করেন। তবে এর অন্যতম কারণ ছিল সেনাবাহিনীর সমর্থন না থাকা যা শেখ হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ করেছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, সেনবাহিনীর দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পদত্যাগের আগের রাতে সেনাবাহিনীর প্রধান তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে একটি বৈঠক করেন যেখানে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, সেনারা কারফিউ বলবৎ করার জন্য বেসামরিক লোকদের ওপর গুলি চালাবে না।
এরপর সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান শেখ হাসিনাকে জানান, তার সৈন্যরা কারফিউ বাস্তবায়ন করতে অক্ষম। একজন ভারতীয় কর্মকর্তা বলেন, বার্তাটি খুবই পরিষ্কার। সেনাবাহিনী আর শেখ হাসিনার পক্ষে নেই। সামরিক কর্মকর্তাদের অনলাইনে এই বৈঠক সম্পর্কে বিস্তারিত এবং সেনাবাহিনীর সমর্থন হারানোর বিষয়টি আগে থেকে জানানো হয়নি শেখ হাসিনাকে।
বাংলাদেশের তিন সাবেক সিনিয়র সেনা কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, সেনাপ্রধান শেখ হাসিনার কাছ থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে ব্যাখ্যা করেননি। কিন্তু বিক্ষোভের মাত্রা এবং কমপক্ষে ২৪১ জন নিহত হওয়ার কারণে হাসিনাকে সমর্থন করা সম্ভব ছিল না। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সৈন্যদের মধ্যে অনেক অস্বস্তি ছিল যা সম্ভবত সেনাবাহিনী প্রধানের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। কারণ সৈন্যরা বাইরে রয়েছে এবং তারা কী ঘটছে তা দেখছে।
এই বিষয়ে শেখ হাসিনার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি এবং তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।








