বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্তসহ বেশিরভাগ নদীর প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অফ গ্লাসগো, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং রিভারাইন পিপলের যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে এমন চিত্র।
গবেষণায় নেতৃত্ব দেন ইউনিভার্সিটি অব গ্লাসগোর স্কুল অব সোশ্যাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবিলিটির ডক্টর মো. সারোয়ার হোসেন। এই গবেষণার ফলাফল বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গবেষক সারোয়ার হোসেন বলেন: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এসডিজি অর্জনের জন্য সকল টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) তে পানির অবদান গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে কারণ বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশের পানির ঘাটতি রয়েছে। যার মধ্যে বাংলাদেশের মতো এলাকাগুলোও রয়েছে।
তিনি বলেন, যদিও বাংলাদেশকে নদীর দেশ বলা হয়, তবে বাংলাদেশের নদীগুলোর আন্তঃসীমান্ত প্রকৃতি প্রধানত পানির নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করে, যা বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আরও বেড়েছে। অতএব, নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জগুলোকে অতিক্রম না করে এবং আন্তঃসীমান্ত বিরোধ মীমাংসা না করে, বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নেই।
ফলাফলে আন্তঃসীমান্ত নদী প্রবাহের ক্রমহ্রাসমান প্রবণতাকে মোকাবেলা করার জন্য, নদী কমিশন, গঙ্গা নদীর জন্য নেপাল এবং যমুনা নদীর জন্য চীন ও ভুটানসহ ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক এবং বহুপাক্ষিক চুক্তির সুপারিশ করা হয়েছে।







