খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল পরিদর্শনে পৌঁছেছে। প্রতিনিধি দলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা এবং প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আছেন।
শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টার যোগে দলটির রওনা হয়েছে। রাঙ্গামাটি পৌঁছে রাজনৈতিক নেতাদের সাথে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় করবেন তারা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে থাকছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফ এবং প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ।
গত বুধবার খাগড়াছড়িতে গণপিটুনির শিকার হয়ে মামুন নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করে দীঘিনালা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি লারমা স্কয়ারের দিকে যাওয়ার সময় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে লারমা স্কয়ারে দোকানপাট ও বসত বাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার রাতে খাগড়াছড়ি জেলা সদরে বুধবারের ঘটনার জেরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় মারা গেছেন ৩ জন। এই সংঘর্ষের প্রভাব পড়েছে রাঙামাটি জেলাতেও। রাঙামাটিতে শুক্রবার সকাল থেকে ২ পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, দোকানপাট ও বাড়িঘরে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে সৃষ্ট সমস্যা নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলে জানানো হয়।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সকল বাহিনীকে সর্বোচ্চ সংযম দেখাতে এবং পার্বত্য তিন জেলায় বসবাসকারী সকল জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া সংঘর্ষে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।







