অতিবৃষ্টি ও উজানের পানির ঢলে বাংলাদেশে সৃষ্টি হওয়া বন্যা আক্রান্ত ১১ জেলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫২ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে শুধু ফেনীতেই মারা গেছেন ২৩ জন। মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৪১, মহিলা ৬ ও শিশু ১২ জন।
শনিবার (৩১ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে: বন্যাকবলিত ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, লক্ষীপুর ও কক্সবাজারের ৬৮টি উপজেলা বন্যা প্লাবিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়ন বা পৌরসভা ৫০৪টি। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, হবিগঞ্জ, সিলেট, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। মৌলভীবাজার ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষীপুর জেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়েছে: বন্যায় মৃত্যু ৫৯ জনের মধ্যে পুরুষ ৪১, মহিলা ৬ ও শিশু ১২ জন। এদের মধ্যে কুমিল্লায় ১৪, ফেনীতে ২৩, চট্টগ্রামে ৬, খাগড়াছড়িতে ১, নোয়াখালীতে ৯, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১, লক্ষীপুরে ১ ও কক্সবাজারে ৩ ও মৌলভীবাজার ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া মৌলভীবাজারে একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে: পানিবন্দি বা ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের আশ্রয়ের জন্য মোট ৩ হাজার ৯২৮টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মোট ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৩০৫ জন লোককে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। এছাড়া ৩ হাজার ১৩৯টি গবাদি পশুকে রাখা হয়েছে। বর্তমানে মোট ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৯৯৫টি পরিবার পানিবন্দি রয়েছে।
১১ জেলার ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য মোট ৫১৯টি মেডিকেল টিম চালু রয়েছে।










