এই বছরের কান চলচ্চিত্র উৎসবের অফিসিয়াল লাইনআপ প্রকাশিত হয়েছে বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল)। বছরের বাকি সময় জুড়ে কোন সিনেমাগুলো নিয়ে বেশি আলোচনা হবে, এটা যেন তারই তালিকা! অন্তত প্রতি বছরের অভিজ্ঞতা এমনটাই বলে।
এবছর কানের নতুন নির্মাতাদের বিভাগে থাকছে স্কারলেট জোহানসন এবং হ্যারিস ডিকিনসনের ছবি, প্রথমবার পরিচালনায় আসছেন তারা। ‘আউট অব কম্পিটিশন’ বিভাগে প্রদর্শিত হবে স্পাইক লির নতুন ছবি ‘হাইয়েস্ট টু লয়েস্ট’ টম ক্রুজের ‘মিশন ইম্পসিবল – দ্য ফাইনাল রিকনিং’।
প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে থাকছে কেলি রেইচার্ড, ওয়েস অ্যান্ডারসন ও রিচার্ড লিংকলেটারের মতো দাপুটে পরিচালকের ছবি। আর ইরানের বিখ্যাত নির্মাতা জাফর পানাহি ফিরছেন তাঁর নতুন ছবি ‘অ্যা সিম্পল এক্সিডেন্ট’ নিয়ে। এছাড়া আলোচিত অ্যারি অ্যাস্টার-এর ‘এডিংটন’ এই বিভাগেই প্রথম প্রদর্শিত হবে।
কানের প্রতিযোগিতা বিভাগ
আলফা – জুলি ডুকুরনু
ডসিয়ে ১৩৭ – ডোমিনিক মল
দ্য ঈগলস অব দ্য রিপাবলিক – তারিক সালেহ
এডিংটন – অ্যারি অ্যাস্টার
ফুয়োরি – মারিও মার্তোনে
দ্য হিস্ট্রি অব সাউন্ড – অলিভার হারমানুস
লা পেতিত দার্নিয়ার – হাফসিয়া হারজি
দ্য মাস্টারমাইন্ড – কেলি রেইচার্ড
নুভেল ভাগ – রিচার্ড লিংকলেটার
দ্য ফিনিশিয়ান স্কিম – ওয়েস অ্যান্ডারসন
রেনোয়ার – চিয়ে হায়াকাওয়া
রোমেরিয়া – কারলা সিমোন
দ্য সিক্রেট এজেন্ট – ক্লেবার মেনদোসা ফিলো
সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু – ইয়োয়াকিম ত্রিয়ের
আ সিম্পল অ্যাক্সিডেন্ট – জাফর পানাহি
সিরাত – অলিভার লাক্স
সাউন্ড অব ফলিং – মাসশা শিলিনস্কি
টু প্রসিকিউটরস – সের্গেই লোজনিত্সা
ইয়াং মাদারস – জঁ-পিয়ের দারদেন ও লুক দারদেন
আঁ সার্তে রিগা-
এই বিভাগটি মূলত নতুন বা উদীয়মান পরিচালকদের সাহসী, ভিন্নধর্মী ও পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্রগুলোকে তুলে ধরার জন্য তৈরি। এবার যারা স্থান পেলেন এই বিভাগে-
আইশা ক্যান্ট ফ্লাই অ্যাওয়ে – মোরাদ মোস্তাফা
এলেনর দ্য গ্রেট – স্কারলেট জোহানসন
হেডস অর টেইলস? – আলেসিও রিগো দে রিগি ও মাত্তেও জোপ্পিস
হোমবাউন্ড – নীরাজ ঘায়ওয়ান
কারাভান – জুজানা কির্চনারোভা
ল’অ্যাংকনু দ্য লা গ্রঁদ আর্শ – স্তেফান দ্যুমুস্তিয়ে
দ্য লাস্ট ওয়ান ফর দ্য রোড – ফ্রানচেসকো সোসাই
মিটিয়রস – হুবার্ট শারুয়েল
মাই ফাদার্স শ্যাডো – আकिनোলা ডেভিস জুনিয়র
দ্য মিস্টেরিয়াস গেইজ অব দ্য ফ্ল্যামিংগো – দিয়েগো সেস্পেদেস
ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন গাজা – তারজান নাসের ও আরব নাসের
আ পেইল ভিউ অব দ্য হিলস – কেই ইশিকাওয়া
পিলিয়ন – হ্যারি লাইটন
দ্য প্লেগ – চার্লি পলিঞ্জার
প্রমিসড স্কাই – এরিজ সেহিরি
আর্চিন – হ্যারিস ডিকিনসন
আউট অব কম্পিটিশন-
এই বিভাগে সাধারণত বিখ্যাত পরিচালক বা বড় বাজেটের ছবি প্রদর্শিত হয়, যেগুলো প্রতিযোগিতায় অংশ না নিয়ে শুধুমাত্র প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উৎসবে রাখা হয়।
কালারস অব টাইম – সেদ্রিক ক্লাপিশ
হাইয়েস্ট টু লোয়েস্ট – স্পাইক লি
মিশন: ইমপসিবল — দ্য ফাইনাল রেকনিং – ক্রিস্টোফার ম্যাককোয়ারি
পারতির উঁ জুর – আমেলি বনাঁ (উদ্বোধনী চলচ্চিত্র)
দ্য রিচেস্ট উইম্যান ইন দ্য ওয়ার্ল্ড – থিয়েরি ক্লিফা
ভি প্রিভে (Vie Privée) – রেবেকা জলোতোভস্কি
কানে প্রিমিয়ার-
এই বিভাগে সাধারণত বিখ্যাত নির্মাতাদের নতুন সিনেমাগুলোর প্রথম প্রদর্শনী হয়, তবে এগুলো মূল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে না। এটি অনেকটা মর্যাদাপূর্ণ প্রদর্শনী বিভাগের মতো কাজ করে।
আমরুম – ফাতিহ আকিন
কনেমারা – আলেক্স লুটজ
দ্য ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স অব যোসেফ মেনগেলে – কিরিল সেরেব্রেনিকভ
অরওয়েল: ২+২ = ৫ – রাউল পেক
স্প্লিটসভিল – মাইকেল অ্যাঞ্জেলো কোভিনো
দ্য ওয়েভ – সেবাস্তিয়ান লেলিও
বিশেষ প্রদর্শনী
বোনো: স্টোরিজ অব সারেন্ডার – অ্যান্ড্রু ডমিনিক
দ্য ম্যাগনিফিসেন্ট লাইফ অব মার্সেল প্যাগনল – সিলভাঁ শোমে
টেল হার আই লাভ হার – রোমান বোহরিঞ্জার
মিডনাইট প্রদর্শনী
ড্যালোওয়ে – ইয়ান গোজলান
এগজিট ৮ – কাওয়ামুরা জেনকি
সংস অব দ্য নিওন নাইট – জুনো ম্যাক
বিশেষ প্রদর্শনী ও মিডনাইট প্রদর্শনী — এই বিভাগগুলো মূলত উৎসবের বৈচিত্র্য ও বিনোদনমূলক দিককে তুলে ধরার জন্য রাখা হয়। বিশেষ প্রদর্শনী বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টারি বা অনন্য গল্পসমৃদ্ধ চলচ্চিত্রগুলো দেখানো হয়, আর মিডনাইট স্ক্রিনিংস বিভাগে সাধারণত থ্রিলার, হরর বা স্টাইলিশ ঘরানার সিনেমা প্রদর্শিত হয় — রাতের অডিয়েন্সের জন্য উপযুক্ত! –হলিউড রিপোর্টার







