ভারতের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনা পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ব্যাহত করতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা এবং আর্থিক পরিষেবা সংস্থা সংস্থা মুডি’স।
পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ডনের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, টানা উত্তেজনা পাকিস্তানের রাজস্ব ঘাটতি কমানোর প্রচেষ্টা ও সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতার পথেও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তবে সংস্থাটি স্বীকার করেছে যে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) কর্মসূচির অধীনে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক কিছু অগ্রগতি হয়েছে। ধীরে ধীরে প্রবৃদ্ধি বাড়ছে, মুদ্রাস্ফীতি কমছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা বাড়ছে।
কিন্তু সংস্থাটির মতে, উত্তেজনা যদি দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে পাকিস্তানের বৈদেশিক অর্থায়নে প্রবেশাধিকার বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ বাড়তে পারে। যা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশটির বহিঃঋণ পরিশোধ সক্ষমতাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।
মুডি’স আরও সতর্ক করে বলেছে, ভারতের যদি ১৯৬০ সালের ইন্দাস পানি চুক্তি স্থগিত করে, তাহলে পাকিস্তানের জন্য পানির জোগান ‘গভীরভাবে কমে যেতে’ পারে।
ভারতের অর্থনীতি প্রসঙ্গে মুডি’স বলেছে, দেশটিতে সরকারি বিনিয়োগ ও ব্যক্তিগত ভোগব্যয়ের জোরে প্রবৃদ্ধি স্থিতিশীল থাকবে। সীমিত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ভারতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
২০২৪ সালে পাকিস্তান ভারতের মোট রপ্তানির ০ দশমিক ৫ শতাংশেরও কম হওয়ায় এই প্রভাব তেমন গুরুত্বপূর্ণ হবে না বলেও জানায় মুডি’স।
তবে উত্তেজনার কারণে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়তে পারে, যা ভারতের রাজস্ব ঘাটতি কমানোর পরিকল্পনাকে ধীর করে দিতে পারে।







