এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
সম্প্রতি ‘জেন-জি’ নামে তরুণদের বিক্ষোভের পর নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া সুশীলা কার্কির পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে তরুণদের বড় অংশ সুদান গুরুংয়ের দল।
রোববার ১৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে রাতে বালুওয়াতারে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে দলটি বিক্ষোভ করে এবং প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেয় বলে জানিয়েছে দেশটির একটি স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটটিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সুদান গুরুং হলেন তরুণদের আন্দোলনের প্রথম সারির নেতা। তিনি যুবকেন্দ্রিক এনজিও হামি নেপালের সভাপতি। এছাড়াও ৩৫ বছরের এই যুবক তৃণমূলের একজন নেতা।
গুরুং স্পষ্ট সতর্কতা উচ্চারণ করে বলেন, যদি তরুণদের উদ্বেগ উপেক্ষা করা হয়, তবে তারা আবারও রাস্তায় নামবে এবং আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে। তার কথায়, ‘আমরা চাইলে যেখান থেকে তুলেছি, সেখান থেকেই এই সরকারকে নামিয়ে আনব।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী কার্কি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আইনজীবী আরিয়াল স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব দেবেন। এরআগে তিনি অর্থমন্ত্রী হিসেবে রামেশ্বর খানাল এবং জ্বালানিমন্ত্রী হিসেবে কুলমান ঘিসিংকে নিয়োগ দিয়েছেন।
এছাড়াও কার্কি ইতিমধ্যেই সিনিয়র অ্যাডভোকেট সবিতা ভান্ডারীকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত করেছেন।
রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য আলোচনা শুরু করেন। মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীসহ সর্বাধিক ১১ জন সদস্য থাকবে। এর অর্থ হল ইতোমধ্যেই নিযুক্ত মন্ত্রীদের অন্যান্য মন্ত্রণালয়ও দেওয়া যেতে পারে।
প্রসঙ্গত, কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করার পর কার্কিকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। তিনি নেপালের ইতিহাসে প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। কার্কি শপথ নেওয়ার পরপরই, প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং ৫ মার্চ নতুন নির্বাচন ঘোষণা করা হয়।








