উৎসব ছাড়া নিয়ম মেনে বাংলাদেশে হিন্দি ছবি আমদানিতে কোনো নিষেধ নেই। সরকার এই নির্দেশ দেয়ার পর গেল বছরে পাঠান, জওয়ান, কিসি কা ভাই, অ্যানিমেল, ডানকি এদেশে মুক্তি পেয়েছিল। ২৯ মার্চ আরেক নতুন হিন্দি ছবি ‘ক্রু’ একযোগে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে!
বলিউডের সঙ্গে একযোগে টাবু, কারিনা কাপুর এবং কৃতি স্যানন অভিনীত এই ছবিটি সিনেপ্লেক্সের সবগুলো শাখায় প্রদর্শিত হবে। বাংলাদেশে হিন্দি ছবি আনতে অনুমতি প্রক্রিয়ায় জটিলতা থাকে! সেন্সর বাদে বাণিজ্য ও তথ্য এই দুই মন্ত্রণালয় থেকেও ইতোমধ্যে মুক্তির অনুমতি পেয়েছে সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।
গত এক দশক ধরে হলিউডের ছবিগুলো একযোগে আমদানির মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রদর্শন করে আসছে স্টার সিনেপ্লেক্স। ‘ক্রু’র মাধ্যমে দেশের সর্বাধুনিক সিনে থিয়েটার কর্তৃপক্ষ প্রথমবার হিন্দি ছবি আনছে।
শুক্রবার বিকেলে চ্যানেল আই অনলাইনকে খবরটি নিশ্চিত করেন সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ও বিপণন বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার মেজবাহ আহমেদ। তিনি বলেন, এখন যেহেতু সরকারের অনুমতি আছে, তাই আমরা অনুমতির যাবতীয় প্রক্রিয়া মেনে একইদিনে ‘ক্রু’ মুক্তি দিচ্ছি।
২০২১ সালে মুক্তি প্রাপ্ত প্রসূন রহমান পরিচালিত ‘ঢাকা ড্রিম’ ছবির বিনিময়ে আসছে রাজেশ কৃষ্ণণ পরিচালিত ক্রাইম ও কমেডি ঘরানার ছবি ‘ক্রু’।
এর আগে অ্যাকশন কাট এন্টারটেনমেন্ট বাংলাদেশে হিন্দি ছবি আনা শুরু করেছিল। মেজবাহ আহমেদ বলেন, এখন থেকে নিয়মনীতি মেনে আমরাই নিয়মিত হিন্দি ছবি আনার চেষ্টা করবো। হিন্দি ছবি বাংলাদেশে আনা ওপেন! যে কেউ আনতে পারবে। যেহেতু আমরা হলিউড, কোরিয়ান, জাপানি, টার্কিস সিনেমা আনি, তাহলে হিন্দি ছবি আসার অনুমতি থাকার পরেও কেন আনবো না? তাছাড়া দর্শকরা তো হিন্দি ছবিগুলো ভালোভাবে গ্রহণ করেন।
“সরকারী নীতিমালার বলা আছে ঈদ বা উৎসবে হিন্দি সিনেমা আমদানি করা নিষেধ। নির্দেশনা মেনে ঈদের ঠিক আগে হিন্দি ছবির প্রদর্শন বন্ধ রাখবো। ঈদে দেশের ছবি প্রাধান্য দেব। যদি দর্শক হিন্দি ছবি পছন্দ করেন, তবে আবার ঈদের পর চালাবো সেটা অবশ্যই সরকারী বিধিনিষেধ মেনে।”








