বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু বলেছেন: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বানানোর নীলনকশা তৈরি করেছিল পাকিস্তানী প্রেতাত্মারা। তাদের ষড়যন্ত্রকে ধূলিস্মাৎ করে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করে আওয়ামী লীগের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন ও দেশকে সমৃদ্ধির পথ দেখান জননেত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে তিমির হননের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে সম্প্রীতি বাংলাদেশ এর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, বিশ্বে এমন নজিরবিহীন জঘন্য হত্যাকাণ্ডের পর, নিজের পরিবারকে হারিয়ে হয়ত কেউই দেশে ফেরার সাহস পেত না। জাতির পিতার কন্যা বলেই তিনি পিতার আজন্ম স্বপ্নকে বাস্তবায়ন ও দেশ পুনর্গঠনে, মৃত্যুকে ভৃত্য বানিয়ে দেশে ফিরলেন। শত বাধা পেরিয়ে ধীরে ধীরে দেশকে নিয়ে যাচ্ছে সমৃদ্ধির পথে ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কক্ষপথে।
তিনি আরও বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রীতির শিক্ষা পেয়েছেন তার পরিবার থেকে। তাঁর পরিবার সারাজীবন অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে লড়াই করে গেছেন। বিশ্বনেত্রী যে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন তা যেন তিনি নিজ হাতেই করে যেতে পারেন।
সভা শেষে পাবনা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, ভাষা সংগ্রামী মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও কলামিস্ট রণেশ মৈত্রের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ, সহধর্মিনীকে ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যের সমবেদনা জানাতে ধানমণ্ডির বাসভবনে যান মো. শামসুল হক টুকু।
আলোচনায় প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান।
সম্প্রীতি বাংলাদেশ এর আহবায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধায় এর সভাপত্বিতে ও সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রফেসর হারুন অর রশিদ, ইউজিসি এর সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর নিজামুল হক ভূইয়া, সাবেক তথ্য কমিশনার প্রফেসর সাদেকা হালিমসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।







