ভারতের শ্রীনগরে কোনও গৃহস্থ অথবা কোনও ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র ব্যবহার কিংবা নিজের কাছে রাখতে পারবেন না। উপত্যকায় ছুরি দিয়ে ধারাবাহিক খুনের কারণে এমনই নির্দেশ দিয়েছে শ্রীনগরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
শনিবার ২২ জুলাই আনন্দবাজারে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার এক জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই নির্দেশনা দেন।
নির্দেশিকায় বলা হয়, কোনও গৃহস্থের কাছে ধারালো অস্ত্র থাকলে তা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে থানায় জমা দিতে হবে।
এমন নির্দেশনার কারণ হিসেবে পুলিশ জানায়, গত কয়েক দিনে কামারওয়াড়ি, বেমিনা, ক্রালপোরা, বাটমালু, কোঠিবাগ, রামবাগ ইত্যাদি অঞ্চলে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আর প্রতিটি খুনেই ব্যবহৃত হয়েছে ছুরি অথবা ধারালো কোনও অস্ত্র। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার স্বার্থে এই নির্দেশিকা জারি হচ্ছে।
আদালতের পর্যবেক্ষণেও বলা হয়, জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাদের নিরাপত্তায় প্রভাব পড়তে পারে বা কোনও আশঙ্কা থাকতে পারে এমন কোনও বিষয় প্রশাসন মেনে নিবে না। তাই ধারালো অস্ত্র, বিশেষ রকমের ছুরি বহন করা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। যাদের কাছে এমন অস্ত্র আছে, তারা যেন তা নিকটবর্তী থানায় জমা করে আসেন।
কতটা ছুঁচালো অস্ত্র রাখা আইনত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে, তা-ও বলে দিয়েছে আদালত। নির্দেশে বলা হয়, নয় ইঞ্চি লম্বা এবং যে অস্ত্রের ধারালো অংশের প্রস্থ দুই ইঞ্চির বেশি, তেমন অস্ত্র রাখা যাবে না। তবে কৃষিকাজ, বৈজ্ঞানিক এবং শিল্পকাজ ছাড়া এমন অস্ত্র রাখা ১৯৫৯ সালের অস্ত্র আইনে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। খোলা দোকান-বাজারেও এমন অস্ত্র কেনা এবং বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।







