বাংলা সিনেমার সোনালী যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ও নৃত্যপরিচালক ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন। বরেণ্যে এই তারকার মৃত্যুতে শোকের ছাঁয়া নেমেছে এসেছে শোবিজ অঙ্গনে। ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি শোক প্রকাশ করে লিখেন, “তাঁর প্রয়াণে আমরা হারালাম শুধু একজন শিল্পীকে নয়, হারালাম একজন অভিভাবকতুল্য মানুষকেও।”
দেশ সেরা এই নায়ক প্রত্যাশা জানিয়ে লিখেন,“জাভেদ ভাই আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিলেও পর্দায় ও শিল্পাঙ্গনে রেখে গেছেন অসংখ্য স্মৃতি ও অবদান, যা তাঁকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাঁচিয়ে রাখবে। তাঁর সৃষ্টিকর্ম ও অনুপ্রেরণা চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
চিত্রনায়ক ইলিয়াস জাভেদের প্রথম নামাজে জানাজা হয়েছে উত্তরা ১২ সেক্টর কবরস্থান মসজিদে। বাদ আসর এফডিসিতে ২য় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যায় উত্তরার ১২ নাম্বার সেক্টর কবরস্থান মসজিদে দাফন করা হবে সত্তর আশির দশকের জনপ্রিয় এই চিত্রানায়ককে।
বুধবার সকাল ১১.১৫ মিনিটে উত্তরায় নিজ বাসায় মৃত্যু বরণ করেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস জাভেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮২ বছর।
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরী বলেন, জাভেদ ভাই দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। কিছুদিন পর পর তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যেতে হতো। বার্ধক্যজনিত রোগে বুধবার সকাল ১১.১৫ মিনিটে তিনি রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসায় ।
১৯৬৪ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন ইলিয়াস জাভেদ। তবে ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ সিনেমার পর দর্শকমহলে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। ওই ছবিতে তার নায়িকা ছিলেন শাবানা।
অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন গুণী নৃত্যপরিচালক। তার প্রকৃত নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নৃত্য পরিচালনার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে নায়ক হিসেবে শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে ‘নিশান’ চলচ্চিত্রটি বিশেষভাবে স্মরণীয়।








