ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের থেকে ২৯ ধাপ পিছিয়ে ভুটানের মেয়েরা (১৭৬)। সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে ‘বি’ গ্রুপ থেকে রানার্সআপ হয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে দলটি। শক্তি-সামর্থ্যে যোজন এগিয়ে থাকলেও এমন প্রতিপক্ষকে সমীহই করছে গোলাম রব্বানি ছোটনের দল, তবে চোখ থাকছে শিরোপার মঞ্চে।
শেষ চারের লড়াইয়ে কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে মাঠে নামবেন সাবিনা খাতুন-মারিয়া মান্ডারা। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচের তিনটিতে দাপুটে জয় তুলে নেয়া বাংলাদেশ কম শক্তির প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও খেলবে সেরা দল নিয়ে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষকে ফেভারিট মানলেও সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন ভুটানের অধিনায়ক।
ভুটানের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের ইতিহাসও দারুণ। ২০১০ সালে ঢাকায় ভুটানকে ৭-০ গোলের হার উপহার দিয়েছিল লাল-সবুজের দল। সাবিনা সেদিন পেয়েছিলেন জোড়া গোল। এই টুর্নামেন্টেও দুর্দান্ত ফর্মে আছেন তিনি, ৫ গোল করে তালিকার শীর্ষে অধিনায়ক। প্রায় একযুগ পর আবারও ভুটানকে পেয়ে নিজেদের পা মাটিতেই রাখছেন সাবিনা।
বাংলাদেশ দলের অন্যতম স্ট্রাইকার মনে করেন, সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা ভুটান অবশ্যই ভালো দল। তাদের বিপক্ষে সেরাটা দিয়েই জিততে চান এবং নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান, ‘প্রতিটা ম্যাচে চেষ্টা করছি নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর। লক্ষ্য থাকবে আগামী ম্যাচগুলোতেও ধারাবাহিক পারফর্ম ধরে রাখার। এই ম্যাচেও নিজের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করব। সুযোগ পেলে কাজে লাগাবো।’
গ্রুপপর্বে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দেয়া ভুটান থাকছে সাবধানী। শক্তিশালী বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজেদের পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে দলটির অধিনায়ক পেনা ছোডেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ অনেক শক্তিশালী দল, তারা খুব দ্রুত বল দেয়া-নেয়ায়ও পটু। তাদের মাঝে দারুণ বোঝাপড়া আছে। আমরা নিজেদের সর্বোচ্চ নিয়ে চেষ্টা করতে পারি। আশা রাখি এটা একপাক্ষিক কোনো ম্যাচ হতে যাচ্ছে না।’
মালদ্বীপ ও পাকিস্তানকে হারিয়ে উড়ন্ত শুরু করা বাংলাদেশ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতের বিপক্ষে তুলেছিল বড় ব্যবধানের জয়। সেমিতে ভুটান বাঁধা পেরোতে পারলে ২০১৬ সালের পর দ্বিতীয়বার সাফের ফাইনাল নিশ্চিত করবে সাবিনা খাতুনের দল। অন্য সেমিতে শুক্রবার বিকেলেই লড়বে ভারত ও নেপাল।








