অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক রিপোর্টে দাবি করেছে, অবরুদ্ধ ইউক্রেনীয় শহর মারিওপোলে বেসামরিক লোকদের আশ্রয়স্থলে রাশিয়া বিমান হামলা চালিয়ে যুদ্ধাপরাধ করেছে।
অ্যামনেস্টির ইউক্রেন শাখার প্রধান ওকসানা পোকালচুক এএফপিকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা একটি কথিত যুদ্ধাপরাধের কথা বলছিলাম। এখন আমরা স্পষ্টভাবে বলতে পারি যে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত এটি ছিল একটি যুদ্ধাপরাধ।’
‘‘এগুলো ছিল বড় ধরনের বিষ্ফোরণ। দু’টি ৫শ’ কিলোগ্রামের (১,১০০ পাউন্ড) বোমা’ বিমান থেকে ফেলা হয়েছিল”।
তবে রাশিয়া বলেছে, নগরীতে ইউক্রেনীয় বাহিনী থিয়েটারটিতে হামলা চালায়। যদিও ইউক্রেন বলেছে, প্রাথমিকভাবে যে মৃতের সংখ্যা ধারণা করা হয়েছিল, প্রকৃতপক্ষে তা আরো কম হতে পারে।
অ্যামনেস্টি গত ১৬ মার্চের বিমান হামলা সম্পর্কে প্রাণে বেঁচে যাওয়া কয়েক ডজন লোক এবং প্রত্যক্ষদর্শীর সাথে কথা বলেছে এবং হামলার দৃশ্যের ছবি, ভিডিও এবং স্যাটেলাইট ইমেজ ও ধ্বংস হওয়া থিয়েটারের নকশা ও নথি সংগ্রহ করে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এই থিয়েটারটি বেসামরিক লোকদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছিল। মার্চের শুরু থেকে হাজার হাজার লোক উদ্ধারের আশায় এখানে জড়ো হয়।
স্বেচ্ছাসেবকরা তাদের খাদ্য, পানি এবং কম্বলের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিতরণের পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা প্রদান করছিল।
পেকালচুক বলেন, ‘মারিওপোলে অনেকগুলো সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিল। তারা স্পষ্টভাবে বেসামরিক লোকদের আশ্রয়স্থল বেছে নেয়।’







