স্পেনের মেয়েরা প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের পর পোডিয়ামে ফরোয়ার্ড জেনিফার হারমোসোর ঠোঁটে চুমু দিয়ে বসেন রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের তখনকার সভাপতি লুইস রুবিয়ালেস। তোপের মুখে পরে পদত্যাগ করতে হয় স্পেনের সাবেক ডিফেন্ডারকে। মামলা গড়িয়েছে আদালতেও। এখনও চলছে কথার লড়াই। এবার রুবিয়ালেস বললেন, জেনিফার জানে সে মিথ্যা বলছে।
৪৬ বর্ষী রুবিয়ালেস বলেছেন, ‘ওই ঘটনায় প্রায় সকলেই আমার সাথে ছিল, বিশেষ করে মেয়েরা। তাদের সমর্থনে বেশ নির্ভার ছিলাম। যারা আমাকে থামিয়েছিল, বলছিল যে এটা অন্যায় এবং বড় কিছু।’
‘হারমোসো জানে সে মিথ্যা বলছে, সেটা আমি জানি এবং আমার মেয়েরা যারা আমার সাথে ছিল, জানতো জেনিফার বলছিল: আমাকে একা থাকতে দাও, সে আমার একজন বন্ধু, এটা বেশ কষ্টদায়ক। আমার মেয়েরা সেটা শুনেছিল।’
মাদ্রিদ হাইকোর্টে ঘটনার বিচারকার্য শুরুর আগে সাক্ষ্য-প্রমাণের যাচাই-বাছাই চলছে। এতে অপ্রস্তুত রুবিয়ালেস বলেছেন, ‘বেশ কয়েকজন বিচারকের সাথে কথা বলেছি এবং তাদের একজনও মনে করেন না সেখানে কোনো অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। এটাও বিশ্বাস করি, কেউ বিশ্বাস করবে না সেখানে যৌন নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে মিডিয়া এবং রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে একধরনের চাপ তৈরি করা হয়েছে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে সঠিক কিছু করতে সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

রুবিয়ালেসের মামলার বিচারকার্য কবে থেকে শুরু হবে তার নিশ্চিত কোনো তারিখ পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা মিললে রুবিয়ালেসের এক থেকে চার বছরের সাজা হতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিশ্বকাপে ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারানোর পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে ‘অসম্মতিতে’ জেনিফার হারমোসোকে চুমুর অভিযোগ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। ঘটনায় পদত্যাগ করা রুবিয়ালেসকে তিন বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে ফিফা।







