চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

পাঁচ বছরেও থমকে আছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

সরওয়ার আজম মানিক সরওয়ার আজম মানিক
৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ ২৫, আগস্ট ২০২২
- সেমি লিড, কক্সবাজার, জনপদ, বাংলাদেশ
A A

আজ ২৫ আগস্ট। মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় নেওয়ার পাঁচ বছর পূর্ণ হল আজ। কক্সবাজারের ৩৪টি ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চললেও থমকে আছে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া।

সেই সাথে রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতে বাড়ছে নানা রকমের অপরাধ। তারা জড়িয়ে পড়ছে নানা রকম অপরাধের সাথে। ফলে দিন দিন এই অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন জরুরী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের মুখে প্রাণে ভয়ে ২০১৭ সালের ২৫ অগাস্ট থেকে মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয় প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী। এর আগে থেকে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাসহ মোট শরণার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ লাখের বেশি,এতে করে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং পরিণত হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে।
গত পাঁচ বছরে ক্যাম্পে জন্ম দিয়েছে আরও ১ লাখ রোহিঙ্গা শিশু। বর্তমানে কক্সবাজারের উখিয়া এবং টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্পে এসব রোহিঙ্গাদের বসতি। এছাড়া নোয়াখালীর ভাসানচরেও কিছু রোহিঙ্গাকে নেওয়া হয়েছে।

Banglabid

রোহিঙ্গা ঢলের দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তাদের ফেরত পাঠাতে দফায় দফায় নানা উদ্যোগ কোনো কাজে আসেনি। সংকট নিরসনে খুব একটা তৎপরতা নেই জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলের। ফলে আদৌ রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো যাবে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশার মধ্যে আছে সরকারও। যদি ও সরকার বলছে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকার কর্তৃক নির্যাতন এবং বলপ্রয়োগের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক কারণে আশ্রয় দেওয়া রোহিঙ্গারা এখন দেশের গলার কাঁটা। রোহিঙ্গারা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে খুনাখুনি ছাড়াও মাদকের ব্যবসা, অপহরণ ছিনতাইসহ নানা অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। তাদের কারণে বিষিয়ে উঠেছে স্থানীয়দের জনজীবন। গত পাঁচ বছরে রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহসহ শতাধিক হত্যা কাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। যদিও বিভিন্ন সংস্থা বেসরকারি তথ্যমতে, পাঁচ বছরে ক্যাম্পে ১২০টির বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়াও এসব রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে প্রায় আট হাজার একরের বেশি বনভূমি ধ্বংস হয়েগেছে। বিপর্যয় ঘটেছে পরিবেশের ও। এ কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে পাহাড় ধসের ঘটনাও। এতে প্রাণহানির মত ঘটনাও ঘটেছে প্রতিবছর।

Reneta

অভিযোগ আছে, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা ফিরিয়ে নেওয়ার কথা মুখে বললেও ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের মদদ দিচ্ছে। যাতে করে আন্তর্জাতিক মহলে রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসী হিসেবে প্রমাণ করে প্রত্যাবাসন ঠেকানোর। খোদ রোহিঙ্গারা এমন অভিযোগ তুলেছেন।

রোহিঙ্গা নেতা হামিদ হোসেন ও জহির উদ্দিন, বলেন, দীর্ঘ সময় প্রত্যাবাসন না হওয়ার কারনে অনেক রোহিঙ্গারা এখন ভুলতে বসেছে যে তাদের একটি দেশ আছে।

তারা বলেন, মিয়ানমার আসলে রোহিঙ্গাদের আর ফিরিয়ে নিবে সে বিশ্বাস আমাদের (রোহিঙ্গাদের। উঠে গেছে। আর রোহিঙ্গারাও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাখাইন ফিরে যেতে রাজি হবে না।

হামিদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ক্যাম্পে এখন খুনাখুনিসহ যে বিশৃংঙ্খলা ঘটছে খবর নিলে দেখবেন এতে মিয়ানমার সেনা বাহিনীর মদদ রয়েছে। ইয়াবা ব্যবসায়ী রোহিঙ্গারা প্রায় সবাই মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করছে। একই কথা বলেছেন রোহিঙ্গা নেতাদের অনেকেই।

এরপরও পাঁচটি দাবি যদি মিয়ানমার সরকার মেনে নিলে রাখাইনে ফিরে যাওয়ার কথা জানিয়েছে রোহিঙ্গাদের দায়িত্বশীল নেতা ও সাধারণ রোহিঙ্গারা।

দাবিগুলো হলো- যত দ্রুত সম্ভব মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন ও পুনঃএকিভূতকরণ, মিয়ানমারের বৈষম্যমূলক নাগরিকত্ব আইন বাতিল, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রত্যাবাসনের পর আইডিপি ক্যাম্পের পরিবর্তে নিজস্ব গ্রামে ফিরে যাওয়ার সুযোগ ও বসবাসের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা।

রোহিঙ্গাতে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা
রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়া পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, শুধু আমার এলাকায় ৮ লাখের বেশি রোহিঙ্গার বসবাস। তাদের কারণে স্থানীয়রা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। রোহিঙ্গারা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলবেঁধে বাড়ি ঘেরাও করে স্থানীয়দের তুলে নিয়ে মারধর করছে। অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করছে।

তিনি বলেন,২০১৭ সালে নতুন করে রোহিঙ্গা ঢলের কারনে আগের চেয়ে হাজার গুণ বেশি ইয়াবার বিস্তার বৃদ্ধি পেয়েছে। আর দীর্ঘ পাঁচ বছরও প্রত্যাবাসন শুরু না হওয়ায় রোহিঙ্গারাও তাদের যে একটি দেশ আছে তা ভুলতে বসেছে। এ ছাড়াও রোহিঙ্গাদের কারণে শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি স্থানীয়রা কর্মসংস্থান হারিয়েছে বেকার হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে দ্রুত প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে স্থানীয়দের রোহিঙ্গা অভিশাপ থেকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন গফুর উদ্দিন চৌধুরী।

কক্সবাজার পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম তথ্যমতে, ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের জুলাই পর্যন্ত থানায় ১ হাজার ৯০৮টি মামলা হয়েছে। আর এ সময়ের মধ্যে খুনের ঘটনা ঘটেছে ৯৯টি। তিনি বলেন, খুনোখুনি, অপহরণ, ধর্ষণ, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, মানব পাচার, অগ্নিসংযোগসহ ১৪ ধরনের অপরাধে কারণে এসব মামলা হয়েছে। যদিও বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয় তথ্যমতে অনন্তপক্ষে ১২০টির বেশি হত্যাকেণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের বরাত দিয়ে ক্যাম্পে নিরাপত্তায় নিয়োজিত ১৬ এপিবিএন এর অধিনায়ক এডিআইজি হাসান বারী নুর বলেন, রোহিঙ্গারা তাদের দাবি দাওয়া পূর্ণ হলে তারা মিয়ানমারে ফিরে যাবে বলে জানিয়েছে।এর আগে তারা কোনভাবে ফিরে যাবে না বলে জানাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে ১৬ এপিবিএন। এখন ক্যাম্প মোটামুটি শান্ত রয়েছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর অব. মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম বলেন, আমার মনে হয় মিয়ানমার সরকারই রোহিঙ্গাদের কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে উস্কে দিয়ে ও সহযোগীতা করে ক্যাম্পে খুনাখুনি বা সন্ত্রাসবাদ করছে। কারণ তারা বিশ্বাবাসীকে দেখাতে চায় রোহিঙ্গারা সন্ত্রাসী। রোহিঙ্গদের কারণে স্থানীয়রাও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে এবং মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এতে করে স্থানীয়রা ধীরে ধীরে অতিষ্ঠ হয়ে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসবাদ সন্ত্রবাদ থেকে চিরতরে মুক্তির এক মাত্র সমাধান হচ্ছে প্রত্যাবাসন। তবে এই মুহূর্তে দ্রুত প্রত্যাবাসন খুব দুরূহ ব্যাপার। এ জন্য কূটনৈতিক তৎপরত বৃদ্ধি করতে হবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কতদূর?
সম্প্রতি কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনের প্রধান মিশেল ব্যাচেলেট ও জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত মিস নোয়েলিন হেজার। তাদের কাছে রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আকুতি জানিয়েছে।

ক্যাম্প পরিদর্শনে তারা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের জন্য ধৈর্য ধরার আহবান জানিয়েছেন। তবে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন কখন কিভাবে হবে এ বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি কেউ।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, প্রত্যাবাসন বিষয়টি দেখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আমরা শুধু রোহিঙ্গাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করাসহ নানা বিষয়ে কাজ করছি। যেকোন সময় প্রত্যবাসনের প্রক্রিয়া শুরু করতে আমরা শতভাগ প্রস্তুত রয়েছি।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যাবাসন শুরু না হলেও আপাতত ক্যাম্পে চাপ কমানোর জন্য ১ লাখ রোহিঙ্গাকে নোয়াখালী ভাসানচর নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৩৫জারের অধিক রোহিঙ্গাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

প্রত্যাবাসন আদৌ হবে কিনা, হলেও তা কখন শুরু হবে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. একে এম আবদুল মোমেন বলেন, এ মুহূর্তে এ প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নাই। তবে রোহিঙ্গারা আমাদের দেশের জন্য বোঝা হয়ে উঠেছেে। তাই তাদের দ্রুত প্রত্যবাসন করা গেলে আমরা অন্তত বাঁচি।

তিনি আরও বলেন, চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের সাথে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ। সময় হলে আপনাদের জানানো হবে।

অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পে থাকার কারণে নানা অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছেন রোহিঙ্গারা। এ প্রভাব পড়ছে স্থানীয়দের মাঝে ও। ফলে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা দিনদিন ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে। তাই এসব রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়াটাই মূল সমাধান বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে কাজ করছে এমন সংস্থার দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, মিয়ানমার প্রত্যাবাসন ইস্যুতে গত জানুয়ারিতে যে বৈঠক করেছে, তাতে নতুন আশার কোনো আলো দেখা যাচ্ছে না। কারণ বাংলাদেশ থেকে ইতিমধ্যে ৮ লাখ ২৯ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা দেওয়া হয়েছে মিয়ানমারের কাছে; কিন্তু মিয়ানমার এ পর্যন্ত ৫০ হাজারের কাছাকাছি রোহিঙ্গাদের ভেরিফিকেশন করেছে। বাকিদের চূড়ান্ত ভেরিফিকেশন করতে কত দিন লাগাবে, তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারছেন না কেউই।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট সেনা অভিযান শুরু হলে রোহিঙ্গা ঢল বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। ওই সময় আট লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। আগে থেকে বাংলাদেশে ছিল লক্ষাধিক। সব মিলিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১১ লাখ। গত পাঁচ বছরে এক লাখ শিশুর জন্ম হয়েছে। ফলে তাদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: রোহিঙ্গারোহিঙ্গা সংকট
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

এলোমেলো দ্বিপাক্ষিক সিরিজের দিন শেষ, বলছেন আইসিসি সিইও

আগস্ট ১২, ২০২৬

গাজীপুর সাফারি পার্কে ‘রাজু বাহাদুর’সহ মারা গেল দুটি হাতি

আগস্ট ১২, ২০২৬

সরকারি সেবায় দালালের দৌরাত্ম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাইমা রহমান

আগস্ট ১২, ২০২৬

‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করাই আগামীর চ্যালেঞ্জ’

আগস্ট ১২, ২০২৬
বাংলাদেশের স্কুলের শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটির বিষয়ে আলোচনা করছে।. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

‘ভালো শিক্ষার্থী নয়, দুর্বল শিক্ষার্থীকে এগিয়ে নেওয়াই বড় অর্জন’

আগস্ট ১২, ২০২৬
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT