ঈদুল আযহায় দেশের ১০৫টি সিনেমা হলে প্রদর্শিত হচ্ছে মেগাস্টার শাকিব খানের ছবি রকস্টার। তারই ধারাবাহিকতায় উত্তরবঙ্গের বগুড়ার জনপ্রিয় সিনেমা হল মধুবন সিনেপ্লেক্স-এ প্রত্যাশার চেয়েও বেশি দর্শক টানছে ছবিটি, এমনটা জানিয়েছেন হলটির ব্যবস্থাপক সাদিক ইউনুস।
তিনি বলেন, রকস্টার একেবারে ভিন্ন ধরণের সিনেমা। এখানে মারপিট নেই। আইটেম গান, নায়িকা নিয়ে টানাটানি নেই। যারা এসব সিনেমা দেখে অভ্যন্ত তাদের কাছে এটা ভালো লাগবে না। ব্যাড রিভিউয়ের কারণে রিপিট দর্শক কম আসবে বলে ধারণা করছি। তবে যারা মিউজিক পছন্দ করেন তারা এই সিনেমা পছন্দ করছেন। মিউজিশিয়ানদের পার্সোনাল লাইফ এমনই হয়। সেটাই দেখানো হয়েছে রকস্টারে।
সাদিক ইউনুস বলেন, যারা সিনেমাটি তৈরি করেছিলেন (পরিচালক-প্রযোজক) তারা অল্প সংখ্যক হলে রকস্টার রিলিজ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শাকিব খান আছে বলে সকল সিনেমা হল মালিক অনেকটা জোর করেই সিনেমাটি নিয়েছিলেন। যেসব সিনেমা হলে একটু ক্লাসি দর্শক যাচ্ছেন, সেখানে ভালো যাচ্ছে। প্রত্যাশা যেমন ছিল তার চেয়ে ভালো যাচ্ছে।
মধুবন সিনেপ্লেক্স-এ কেমন চলছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রিমিয়াম এবং স্টান্ডার্ড মিলিয়ে অ্যাডভান্স টিকিট ভালোই বিক্রি হয়েছে। ৩১ মে পর্যন্ত আগাম টিকিট ছেড়েছিলাম, ৬০% ভালো সেল হয়েছে। মধুবনে দুই সপ্তাহের বেশী চলতে পারে। সেদিক থেকে আমি বলবো, সিনেমা খারাপ না। এই ছবি সিনেপ্লেক্স কেন্দ্রিক দর্শকরাই বেশী পছন্দ করবে।
মধুবন সিনেমা হলের মালিক রোকনুজ্জামান ইউনুস বলেন, রাজশাহীর রিভার ভিউ সিনেপ্লেক্স, যশোহরের মনিহার, কুস্টিয়ার স্বপ্নীল সিনেপ্লেক্স, বগুড়ার মধুবন সিনেপ্লেক্স, মম ইন, সিলেটের গ্রান্ড থিয়েটারসহ যে সব হলে হাউজ ফুল যাচ্ছে বা ভালো দর্শক হচ্ছে সেই সব হলের দর্শকদের রিভিউ প্রচারে আসছে না।
তিনি বলেন, একজন শিল্পী শুধু গ্যাংস্টার হয়ে ছবি বানাবে, তাতো হয় না। একজন সুপারস্টার সব ধরনের চরিত্রে অভিনয় দক্ষতা দেখাবে তবেই সে সুপারস্টার।। রকস্টারে শাকিব খান দুর্দান্ত অভিনয় দক্ষতা দেখিয়ে প্রমাণ করেছে আসলেই সে সুপারস্টার।
সান মোশন পিকচার্স লিমিটেডের ব্যানারে নির্মিত রকস্টার পরিচালনা করেছেন আজমান রুশো, প্রযোজনা করেছেন অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু। সিনেমাটিতে শাকিব খানের সাথে অভিনয় করেছেন সাবিলা নূর, তানজিয়া মিথিলা, সুনিধি নায়েক, রোজি সিদ্দিকী, তারিকা আনাম খান প্রমুখ।








