বাংলাদেশ পুলিশের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘জাতীয় জরুরি সেবা- ৯৯৯’ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত মোট ৬ কোটি ২৩ লাখ ৮০ হাজার ৯০৭টি ফোনকল এসেছে।
এরমধ্যে জরুরি মুহুর্তে পুলিশ, ফায়ার ও অ্যাম্বুলেন্স সেবাসহ বিভিন্ন তথ্যসেবা প্রদান করা হয়েছে ২ কোটি ৭২ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৮৬ জন কলারকে। যা মোট কলের ৪৩.৭৩ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার অ্যাডিশনাল ডিআইজি (টেলিকম) মহিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মোট ফোনকলের জরুরি মুহুর্তে পুলিশ, ফায়ার ও অ্যাম্বুলেন্স সেবাসহ বিভিন্ন তথ্যসেবা প্রদান করা হয়েছে ২ কোটি ৭২ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৮৬ জন কলারকে। যা মোট কলের ৪৩.৭৩ শতাংশ।
মহিউল ইসলাম বলেন, ৩ কোটি ৫১ লক্ষ ১ হাজার ২১ টি কলের সঙ্গে সেবা প্রত্যাশার কোন সম্পর্ক নেই। এগুলো ব্ল্যাঙ্ক কল, প্র্যাংক কল এবং মিসড কল যা মোট কলের ৫৬.২৭% শতাংশ। এই বিপুল সংখ্যক অপ্রয়োজনীয় ফোন-কল কল-ওয়েইটিং টাইম বাড়িয়ে দেয়, সত্যিকার বিপদগ্রস্থ জরুরি সেবা প্রার্থী কলারকে ৯৯৯-এর সেবাপ্রাপ্তিতে বিলম্ব ঘটায় এবং ৯৯৯-এর কলগ্রহীতাদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই অপ্রেয়োজনীয় কলগুলো ৯৯৯-এর দ্রুত সেবাপ্রাপ্তি ব্যাহত করছে।
তিনি বলেন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০১ এর ৭০ (১) ধারায় বিরক্তিকর কলের জন্য এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদন্ডের শাস্তির বিধান থাকলেও ৯৯৯ এখন পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে এই আইনে অভিযোগ আনেনি। বরং ৯৯৯ জনসচেতনতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ৯৯৯-এর ওপর জনগণের আস্থা ও ভরসার কারণে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির কারণে দিন-দিন অপ্রয়োজনীয় কলের সংখ্যা কমে আসছে।
অপ্রেয়োজনীয় কল শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সম্মানিত নাগরিক ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন। আপদে-বিপদে, আশা-নিরাশায়, আস্থা-ভরসায় জরুরি নম্বর ৯৯৯ ব্যবহারে সচেতন হওয়ার এবং আহবানও জানান তিনি।








