কাইলিয়ান এমবাপে, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রদ্রিগোদের নিয়ে গড়া রিয়াল মাদ্রিদের আক্রমণ, যা নিয়ে বেশ ভাবতে হচ্ছে পেপ গার্দিওলাকে। তাদের আটকে রাখা প্রায় অসম্ভব মনে করেন ম্যানচেস্টার সিটি কোচ। কিন্তু ম্যাচ জিততে প্রতিপক্ষকে যতটা সম্ভব নিষ্ক্রিয় করে রাখতে তো হবে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর টিকিটের জন্য প্লে-অফের আগে স্পেনিয়ার্ড কোচের ভাবনাও সেখানেই।
প্লে-অফের প্রথম লেগে মঙ্গলবার রাতে কার্লো আনচেলত্তির রিয়াল মাদ্রিদকে আতিথ্য দেবে ম্যানসিটি। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে মাঠের লড়াই।
ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে গার্দিওলা বলেছেন, ‘৯০ মিনিট বা ১৮০ মিনিট অথবা লড়াই যতদূরই যাক না কেন, তাদের আক্রমণভাগকে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। সবাই জানে তারা ব্যতিক্রমী। সুতরাং মাঠে তারা যেভাবে একত্রিত হয়, যেভাবে দৌড়ায়, তাদের সামর্থ্য এবং কীভাবে তারা বল ধরে রাখে- এই চার বিষয়ে তারা ব্যতিক্রমী। এটা সবাই জানে। তাই যতটা সম্ভব লড়াইয়ে তাদের সম্পৃক্ততা কমাতে হবে, এরপরও তাদের মুহূর্ত আসবে এবং আমাদের তা মেনে নিতে হবে। তাদের মাঠে ভালো ফলাফল পেতে হলে প্রথম লেগে আমাদের স্মার্ট হতে হবে এবং ছন্দ বুঝতে হবে।’
সবশেষ এফএ কাপে দ্বিতীয় স্তরের দল লেটন ওরিয়েন্টের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়ে আর্সেনালের কাছে ৫-১ ব্যবধানে হারের স্মৃতি ভুলেছে সিটি। মৌসুমের মাঝপথে এসে হঠাৎ ছন্দপতন হয়েছিল সিটির। বড়দিনের আগে ১২ ম্যাচের মধ্যে ৯টিতে পরাজয়ের ধারাবাহিকতার পর সবশেষ ১১ ম্যাচে কেবল দুই ম্যাচে হারের মুখ দেখেছে তারা।
অধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণ হিসেবে চোটের দিকেই আঙুল গার্দিওলার। চলতি মৌসুমে চোটজনিত সমস্যায় রিয়ালও। গার্দিওলা বলছেন, ‘আমার মনে হয়, মৌসুমজুড়ে দুদলই চোট সমস্যায় ভুগছে। তবে মাদ্রিদ আমাদের চেয়ে অনেক ভালোভাবে পরিস্থিতি সামলেছে, কারণ তারা এখনও লিগের শীর্ষে রয়েছে এবং অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সঙ্গে লড়াই করছে। বিষয়টা আবারও পারফরম্যান্সে তাদের ধারাবাহিকতাই তুলে ধরে। তারা বড় প্রতিদ্বন্দ্বী, আমরা তা জানি।’







