ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বর্তমানে শীর্ষে ব্রাজিল। ১৫তম স্থানে সুইজারল্যান্ড। দুদলের ব্যবধানটা এখানে স্পষ্ট! তবে মুখোমুখি লড়াইয়ে তফাতটা সামান্যই। নয়বারের দেখায় সেলেসাওরা জিতেছে তিনবার, দুবার সুইসরা। বাকি চার ম্যাচ হয়েছিল ড্র।
বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, দুদলের লড়াইটা হয় একেবারে সমানে সমান। দুবারের দেখায় যেখানে অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়েছিল দুই ম্যাচই।
১৯৫০ বিশ্বকাপে দল দুটি প্রথমবার আন্তর্জাতিক ফুটবলে মুখোমুখি হয়। সেই খেলা ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল। পরে পেরিয়ে যায় ৬৮ বছর। গত রাশিয়া বিশ্বকাপে একই গ্রুপে পড়া ব্রাজিল ও সুইজারল্যান্ড ১-১ গোলে ড্র করে।
হেক্সা জয়ের মিশনে শুরুটা দারুণভাবেই করেছে ব্রাজিল। রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা রিচার্লিসনের জোড়া গোলে সার্বিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারায়। অন্যদিকে, লড়াকু ক্যামেরুনের বিপক্ষে ১-০ গোলের ঘাম ঝরানো জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে সুইজারল্যান্ড।
গোড়ালির চোটে সুইসদের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না নেইমার। দলের সেরা তারকাকে না পাওয়াটা টিটের জন্য বড় শূন্যতা। তবে ক্ল্যাসিক ঢংয়ে খেলতে থাকা সাম্বার দেশকে থামানো মোটেও সহজ হবে না। রিচার্লিসনের সঙ্গে জেসাস, রদ্রিগো, ভিনিসিয়াসরা জ্বলে উঠলে যেকোনো প্রতিপক্ষই হতে পারে কুপোকাত। দানি আলভেজ, দানিলো, সান্দ্রো, মিলিতাওরা তাল মিলিয়ে ছন্দে থাকলে রক্ষণদুর্গ ভাঙাও হবে কার্যত অসম্ভব!
সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় স্টেডিয়াম ৯৭৪-এ জি-গ্রুপের খেলায় মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও সুইজারল্যান্ড। বিশ্বমঞ্চে সুইসদের বিপক্ষে ড্রয়ের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে জয়ের ধারা বজায় রাখলে নকআউট পর্বে যাওয়ার রাস্তাটা সেলেসাওদের জন্য অনেক মসৃণ হয়ে যাবে।








