নেদারল্যান্ডসকে টাইব্রেকারে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার পর স্প্যানিশ রেফারি অ্যান্তনিও মাতেউ লাহোসের কঠোর সমালোচনা করেছেন লিওনেল মেসি। কোয়ার্টার ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেয়া উচিৎ হয়নি বলেও সাফ মন্তব্য করেছেন।
‘ডাচরা ম্যাচে সমতা টানার পর আমি ভীষণ রেগে গিয়েছিলাম। রেফারি সম্পর্কে কথা বলতে চাই না। কারণ তারা অবিলম্বে আপনাকে তিরস্কার করবে বা নিষেধাজ্ঞা দেবে। যা ঘটেছে সবাই সেটি দেখেছে।’
‘ফিফাকে বিষয়টি পর্যালোচনা করতে হবে। যখন তারা কাজটি করতে পারে না তখন এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার মতো রেফারিকে দায়িত্ব দিতে পারে না।’
নির্ধারিত সময়ের অন্তিম মুহূর্তে ডি-বক্সের একদম কাছে ফ্রি-কিক পায় নেদারল্যান্ডস। মেসি দাবি করেছেন, রেফারি ভুল সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন।
‘এটা মোটেও ভালো খেলা ছিল না। রেফারি ম্যাচটাকে অতিরিক্ত সময়ে পাঠিয়েছিলেন। তিনি সবসময় আমাদের বিপক্ষে ছিলেন। ফাউল মোটেও ছিল না।’
গোটা ম্যাচে লাহোস মোট ১৬টি হলুদ কার্ড দেখান। টাইব্রেকারের সময় নেদারল্যান্ডসের ডিফেন্ডার ডেনজেল ডামফ্রিসকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়া করেন।
মেসি আরও বলেছেন, ‘আমরা অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারে ম্যাচ গড়াক তা চাইনি। সবকিছু যেভাবে ঘটেছিল তার জন্য আমরা খুব বেশি কষ্ট সহ্য করেছি। কিন্তু আমরা সেমিফাইনালে উঠেছি। এটা সুন্দর ও দারুণ কিছু।’
টাইব্রেকারে দুটি শট সেভ করে নায়ক বনে যাওয়া সতীর্থ গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজও রেফারিকে নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
‘ভেবেছিলাম আমরা ম্যাচটি সত্যিই ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছি। ২-০ গোলে এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু রেফারি ডাচদের পক্ষে সবকিছু দিতে শুরু করেছিলেন। হঠাৎ ভালো হেডে তারা গোল পাওয়ায় পরিস্থিতি সব উল্টে গেল। রেফারি কোনো কারণ ছাড়াই নির্ধারিত সময়ের পর ১০ মিনিট সময় যোগ করেছেন।’
‘তিনি নেদারল্যান্ডসকে বক্সের বাইরে দুই-তিনবার ফ্রি-কিক দিয়েছেন। রেফারি চেয়েছিলেন তারা গোল করুক। আসলেই তাই চেয়েছিলেন। আশা করি আমাদের এমন রেফারি আর থাকবে না। তিনি অকেজো।’








