ঈদে মুক্তি পাওয়া মিম অভিনীত ছবি ‘পরাণ’ দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সিনেপ্লেক্সগুলোতে ছবিটি দেখতে উপচে পড়া ভীড় দেখা যাচ্ছে। সেই সাফল্যে আবেগে ভাসছেন মিম।
রোববার সন্ধ্যায় পরাণ নির্মাণের নেপথ্যের কারিগরদের সামনে আনলেন এই লাক্সতারকা। নিজের ফ্যান পেজে একটি পোস্টও দিয়েছেন আমার প্রাণের প্রিয়া ছবির এই নায়িকা।
মিম লিখেছেন, পরাণের প্রতি দর্শকেরা যে ভালোবাসা বর্ষণ করছেন, তাতে যতবার ধন্যবাদ দেব; কম হয়ে যাবে। তবে পরাণের সাথে জড়িত কিছু মানুষকে নিয়ে আলাদা করে না বললেই নয়।
‘আমি আজকে পর্দার পেছনের দুজন মানুষের কথা বলতে চাই। এমন দুজন মানুষ হচ্ছেন লাইভ টেকনোলজির আরাফাত ভাই (ইয়াসির আরাফাত) এবং অতুল ভাই (তামজিদ অতুল)।’
স্মৃতিচারণ করে মিম লেখেন, বাবার চাকরির সূত্রে আরাফাত ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয়। ভোলা সরকারি কলেজে বাবা যখন প্রফেসর ছিলেন, তখন আরাফাত ভাই সেখানে তার ছাত্র ছিলেন। পারিবারিকভাবেও তার সাথে আমাদের বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল।
লাইভ টেকনোলজি আত্মপ্রকাশ করার পর তাদের একটি ক্যাম্পেইনে আমি প্রথমবারের মত কাজ করি, তাও প্রায় ১০-১২ বছর আগের কথা। পারিবারিক সম্পর্কটা এরপরে এভাবেই প্রফেশনাল সম্পর্কে রূপ নিল।
আরাফাত ভাই আমাকে অসম্ভব রকমের স্নেহ করেন, আমিও আরাফাত ভাইকে প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করি বড় ভাই হিসেবে।
এর আগে লাইভ টেকনোলজির আমি তোমার হতে চাই ছবি করেছিলেন মিম। পরাণ দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির ছবিতে কাজ করলেন।
মিম লেখেন, লাইভের সাথে এটি আমার দ্বিতীয় সিনেমা। পরাণ শুরু হওয়ার আগে রায়হান রাফির সাথে আমার সেভাবে পরিচয় ছিল না। আরাফাত ভাই একদিন জানালেন, রাফি আমাদের সাথে একটি সিনেমা করবে আর আমার মনে হয় এই সিনেমার অনন্যা ক্যারেক্টরের জন্য তুমিই পারফেক্ট। আমি চাই তুমি সিনেমাটা কর। এভাবেই পরাণের সাথে যুক্ত হওয়া।
অতুল ভাইকে চিনি আরাফাত ভাইয়ের মাধ্যমেই, লাইভ টেকনোলজির আরেকজন কর্ণধার তিনি। অসম্ভব ভালো একজন মানুষ, আমাকে নিজের ছোট বোনের মতই স্নেহ করেন।
লাইভ টেকনোলজির সাথে কাজের অভিজ্ঞতা ভীষণ আনন্দের। প্রডিউসার হিসেবে লাইভ টেকনোলজির এই দুজন মানুষ ভীষণ প্রফেশনাল আর একটি কনটেন্টকে দর্শকের সামনে ঠিকঠাক উপস্থাপনের জন্য যে পরিমাণ ডেডিকেশন দেয়া দরকার, সেটা তারা দিয়েছেন সবসময়ই।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মিম তার স্ট্যাটাসে লেখেন, চ্যানেল আইয়ের হাত ধরে আমার আজকে এই অবস্থানে আসা। মিডিয়াতে চ্যানেল আইয়ের পরে যদি আমার দ্বিতীয় কোন ফ্যামিলি হয়, সেটা হবে লাইভ টেকনোলজি। নিজেকে আমার লাইভ টেকনোলজির একজন সদস্য বলেই মনে এই দুজন মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসার কারণে।
আমাদের কন্টেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে লাইভ টেকনোলজি এভাবেই এগিয়ে যাক এবং যেকোনো ভালো কন্টেন্টের প্রতি যেন লাইভ টেকনোলজির সাপোর্টটা সবসময়ই থাকে।







