এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ঢাকাসহ দেশের নগরগুলোর দুরবস্থার পেছনে সমন্বয়হীনতা এবং সিটি মেয়রদের পর্যাপ্ত ক্ষমতার অভাব বড় কারণ বলে মনে করছেন নগর বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদরা। তাঁদের মতে, শক্তিশালী নগর সরকার (সিটি গভর্নমেন্ট) গঠন করে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব নিশ্চিত করা গেলে নগরের বহু সমস্যা সমাধান সম্ভব। এ কারণে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে নগর সরকার গঠন এবং নগর সমস্যার সমাধানে সুস্পষ্ট রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি উঠেছে।
নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ ও গুলশান সোসাইটির যৌথ আয়োজনে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত “ঢাকা বাঁচানোর ইশতেহার” শীর্ষক নগর সংলাপে এসব মত তুলে ধরা হয়। সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার সাদাত ওমর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, সিটি করপোরেশনের ক্ষমতা বর্তমানে ময়লা পরিষ্কার ও বাতি লাগানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। নিজস্ব পুলিশ বাহিনী না থাকায় উচ্ছেদ অভিযান টেকসই করা যাচ্ছে না। তিনি জানান, ট্রাফিক আইন ভঙ্গের জরিমানা থেকে প্রতি মাসে বিপুল অর্থ আদায় হলেও সিটি করপোরেশন সেই অর্থ পায় না। ওয়াসা, রাজউক ও পুলিশকে সিটি করপোরেশনের অধীনে এনে পূর্ণাঙ্গ সিটি গভর্নমেন্ট গঠনের ওপর তিনি জোর দেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম বলেন, বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। ঢাকার ওপর জনসংখ্যার চাপ জাতীয় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি সিটি গভর্নমেন্ট গঠনকে অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন।
সংলাপে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি ও নগর পরিকল্পনাবিদদের প্রতিনিধিরাও সমন্বিত নগর সরকার, নাগরিক অংশগ্রহণ এবং পরিবেশবান্ধব নগর গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।








