অপরাধ

সোহাগ হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা তদন্ত হওয়া উচিত: সাবেক আইজিপি

নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা সোহাগ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আলোচনা করছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রধান অতিথি ও অতিথিরা সোহাগ হত্যাকাণ্ডের তদন্তের জন্য আলোচনা করছেন।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আশরাফুল হুদা বলেছেন, সোহাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। শহরের মাঝে ঘটনা ঘটে যাওয়ার দুইদিন পর ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশের তৎপর হওয়াটা দুঃখজনক।

এখানে পুলিশের কোনো গাফিলতি থাকলে তারও সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।

শুক্রবার রাজধানীর এফডিসিতে ‘মব সন্ত্রাস প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।

সাবেক আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা বলেন, মব ভায়োলেন্স শুধু ভুক্তভোগীরাই করে না; নৈরাজ্য সৃষ্টি ও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য কেউ কেউ টার্গেট করে বিএনপির ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে এ ধরনের মব ভায়োলেন্স করছে।

তিনি আরও বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তৎপর থাকলে গোপালগঞ্জে এত বড় ঘটনা ঘটত না।

গোয়েন্দা ব্যর্থতাই গোপালগঞ্জের ঘটনার জন্য দায়ী। ‘জুলাই চেতনা’ নস্যাৎ করে পতিত প্রধানমন্ত্রীকে পুনর্বাসন করার জন্য চক্রান্ত চলছে, যাতে নির্বাচন পেছানো যায়। গোপালগঞ্জের ঘটনা তারই উদাহরণ। পুলিশের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ না করে তাদের যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে দিলে ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, চোর-ডাকাত, ছিনতাইকারীর পাশাপাশি মবের শিকার হচ্ছেন রাজনীতিবিদ, আমলা, আইনজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক থেকে শুরু করে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সর্বত্র ‘মব জাস্টিস’-এর নামে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। মাজার ভাঙা, বাউল গান বন্ধ করা, জাতীয় সংগীত নিয়ে প্রশ্ন তোলা-এসব কিছুই কাম্য নয়। মব সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ‘জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা বৃথা যাবে।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে ‘বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা মব সন্ত্রাস বৃদ্ধির প্রধান কারণ’ শীর্ষক ছায়া সংসদে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকদের পরাজিত করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের বিতার্কিকরা বিজয়ী হন।

প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, সাংবাদিক সাইদুর রহমান, সাংবাদিক আহমেদ সরওয়ার, সাংবাদিক এম এম বাদশাহ ও সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মিশন।

প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়।

বিষয়:ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি তদন্ত

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…