মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাস উদ্বোধনের পাশাপাশি হাওরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্বচক্ষে দেখার জন্যই প্রধানমন্ত্রীর মিঠামইন সফর। এসময় মিঠামইন হেলিপ্যাড মাঠে জনসভায়ও যোগদান করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে হাওরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
গত ১০ বছরে পাল্টে গেছে অবহেলিত জনপদ কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা ইটনা-মিঠামইন ও অষ্টগ্রামের চিত্র। রাস্তা, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্যখাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল কিছুতেই লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। আর তাই তো দীর্ঘ দুই যুগ পর আবারো কিশোরগঞ্জের মিঠামইন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত হাওরের মানুষ। চারদিকে শুধু সাজ সাজ রব। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। শেষ হয়েছে মঞ্চ সাজ-সজ্জা, মাঠের সৌন্দর্য্য বর্ধন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের সকল কাজ। রাস্তায় রাস্তায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে ব্যানার, ফেস্টুন টানিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
আগামীকাল সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী মিঠামইনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাস ক্যান্টনম্যান্ট উদ্বোধন শেষে বিকেলে মিঠামইন হেলিপ্যাড মাঠে জনসভায় যোগদান করবেন। বর্তমান সরকারের হাত ধরে এই উন্নয়ন দেখাতে অধির আগ্রহে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
এর আগে ১৯৯৮ সালের ৩ অক্টোবর হাওর উপজেলা মিঠামইন এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থানীয়রা বলছে, প্রধানমন্ত্রীর কাজে হাওরের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। আওয়ামী লীগের আমলে হাওরের মানুষ সুখে আছে। তাদের আর কিছু চাওয়ার নেই। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরার জন্য জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। জনসভাকে জনসমুদ্রে রূপ দেওয়ার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীকে অর্ভথ্যনা জানাতে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। এরপর জনসভায় যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী।







