ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পিরোজপুর-২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন ফকরুল আলম। তিনি পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার বালিহারী গ্রামের আলহাজ্ব আব্দুর রহমানের পুত্র এবং একজন অভিজ্ঞ ও ত্যাগী রাজনৈতিক নেতা।
ফকরুল আলম দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রদলে যোগ দেন। এরপর ছাত্রদল, কৃষক দল ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রামে বারবার জেল-জুলুম সহ্য করে রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন।
তিনি বলেন, ‘ভান্ডারিয়া, কাউখালী, নেছারাবাদ—এই মাটিতে ধানের শীষের শক্ত ভীত আছে। এখানে বিএনপির ৭০ শতাংশ ভোট রয়েছে বলেই আমি বিশ্বাস করি।’ তিনি তার কর্মী-সমর্থকদের প্রতিহিংসার রাজনীতি ও প্রোপাগান্ডা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানান এবং বলেন, “আমরা দীর্ঘ লড়াই করে আজ এখানে পৌঁছেছি, এখন আমাদের আরও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
ফকরুল আলম মনে করেন, পিরোজপুর আজও অবহেলিত একটি জনপদ। তিনি বলেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে এবং আমি এমপি নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে এই অঞ্চলকে একটি মডেল জনপদে রূপান্তর করবো।
অন্যদিকে, তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়া রাজনীতিকদের সমালোচনা করে বলেন, জনগণের জন্য যারা কাজ করে না, তাদের বয়কট করতে হবে। আমি সব সময় জনগণের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো।







