জলবায়ু সংকটের মধ্যে প্রতিরোধের গল্প তুলে ধরে ‘সার্জিং হোপ: স্টোরিজ অব ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক তিন দিনের ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী শুরু হয়েছে আজ থেকে।
বুধবার ৩০ অক্টোবর রাজধানীর আলোকিতে অনুষ্ঠিত এ প্রদর্শনীর আয়োজক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড। এতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় জলবায়ু সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সংগ্রামী জীবনযাত্রাকে নিপুণভাবে উপস্থাপন করা হয়।
প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন সুইডেন দূতাবাসের প্রথম সচিব নায়োকা মার্টিনেজ ব্যাকস্ট্রোম, আয়ারল্যান্ডের সম্মানিত কনসাল মাসুদ জামিল খান এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত ড. ইফতেখার চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দূতাবাস, দাতা সংস্থা, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, গবেষক ও শিক্ষাবিদসহ বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা জলবায়ু সংকটের মোকাবিলায় সাহসী মানুষদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম প্রত্যক্ষ করেন।
প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জলবায়ু সংকটের অগ্রভাগে থাকা এই জনগোষ্ঠীর জীবনকে দর্শকদের কাছে আরো কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি ফটোবুক উন্মোচন করা হয়। এতে জলবায়ু-সংকটাপন্ন মানুষদের জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। বিশিষ্ট আলোকচিত্রী সৈকত মজুমদার ছবিগুলো তোলেন।
কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড-এর বন্যা সহনশীলতা কর্মসূচির আওতায় এ প্রদর্শনীটি আয়োজন করা হয়। এর অংশীদার গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)। কর্মসূচিটি বন্যাপ্রবণ এলাকার সংকটাপন্ন মানুষদের দুর্যোগের বিরুদ্ধে ভালোভাবে প্রস্তুত হওয়ার এবং ক্ষতি কাটিয়ে উঠার সক্ষমতা তৈরি করছে। জুরিখ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স অ্যালায়েন্সের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মনিশ কুমার আগরওয়াল উদ্যোগটির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এসব ছবি শুধুমাত্র ছবি নয়, এগুলো আশা, সহনশীলতা এবং পরিবর্তনের শক্তিশালী গল্প। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে আমরা মানুষের অবিরাম সংগ্রাম এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় তাদের অসীম সাহসকে তুলে ধরতে চেয়েছি।
প্রদর্শনীটি ৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রদর্শনীর স্থান: আলোকি (২১১ গুলশান – তেজগাঁও লিংক রোড, ঢাকা)।







