ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলের মাঠে ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা দেখতে গিয়ে কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের মধ্যে নারী শিক্ষার্থীও ছিল।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে হলের মাঠে খেলা দেখতে যাওয়া সাবেক ছয় শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করে হল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। নরওয়ে – ফ্রান্সের ম্যাচ দেখতে তারা হলে যান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতন বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন তিনি।
একইসঙ্গে, ঘটনা তদন্তে এক সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অধ্যাপক রতন জানিয়েছেন, যারা ভুক্তভোগী তাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়নি।
“সংক্ষুব্ধ যার হওয়ার কথা তারা আবেদন করেনি। তাদের বন্ধুরা অথবা অপরাপর সংগঠনগুলো আবেদন করেছে। আবার যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাও আবেদন করেছে। আমরা খতিয়ে দেখছি আসলে ঘটনাটি কী?”
অধ্যাপক রতন বলেন, হলের ভেতরের ঘটনার জন্য প্রভোস্টের কাছে আবেদন করার কথা থাকলেও তারা সেখানে না করে সরাসরি প্রক্টর কার্যালয়ে আবেদন করেছে।
“যারা রাজনৈতিক সচেতন তারা কোন কোন পক্ষ থেকে মূলত আসছে, শিবির বাদে সব আদর্শের মিশ্রণ ভুক্তভোগীদের পক্ষে যারা যারা অভিযোগ করেছে” বলেন প্রক্টর।
একইসঙ্গে যার বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ সেই ব্যক্তি নিজেও বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন প্রক্টর কার্যালয়ে।
“উনি এটা অসত্য ঘটনা উল্লেখ করে সঠিক বিচার চেয়েছেন। তার নামে যে কমপ্লেইনটা করা হয়েছে সেটা অসত্য এটা বলেছে” বলেন প্রক্টর অধ্যাপক রতন।
উল্লেখ্য, হেনস্তার অভিযোগকারীরা লিখিত আবেদনে জানিয়েছেন, হল রেজিস্ট্রারে নাম লিখে বৈধভাবে প্রবেশ করার পরেও হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের মাঠ ছেড়ে যেতে বলেন। তাদের সাথে থাকা একজন সাবেক নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।







