প্যারিস অলিম্পিকে বক্সিংয়ে মেয়েদের ৬৬ কেজি ইভেন্টে ৪৬ সেকেন্ডেই ম্যাচ ছেড়ে দিয়েছেন ইতালির আঞ্জেলা কারিনি। সহজে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেছেন আলজেরিয়ার ইমানে খেলিফ। ‘লিঙ্গ পরীক্ষায়’ ব্যর্থ হয়ে গতবছর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন খেলিফ। তার শরীরে পুরুষ ক্রোমোজম পাওয়া গিয়েছিল।
বৃহস্পতিবার শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন কারিনি ও খেলিফ। ম্যাচের শুরু থেকে কারিনির মুখে পাঞ্চ করছিলেন খেলিফ। ৩০ সেকেন্ড পর কারিনি কোচ এমানুয়েল রেনজিনিকে জানিয়েছিলেন, নাকে ব্যথা পেয়েছেন। কোচ তাকে প্রথম রাউন্ড খেলে যাওয়ার কথা বলেন। পরে আবারও মুখে পাঞ্চের পর হাত তুলে ম্যাচ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন কারিনি।
মাত্র ৪৬ সেকেন্ডে ম্যাচ থেকে সরে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন কারিনি। পরে সংবাদমাধ্যমে আক্ষেপের কথা জানান ইতালীয় বক্সার। বলেছেন, ‘লড়াই করার জন্যই রিংয়ে এসেছিলাম। আমি হাল ছাড়িনি। কিন্তু তার একটা ঘুষি আমাকে প্রচণ্ড আঘাত করেছে। তাই বলেছি, যথেষ্ট হয়েছে। আমি মাথা উঁচু করেই বেরিয়ে যাই।’
গতবছর লিঙ্গ পরীক্ষায় খেলিফের শরীরে এক্সওয়াই ক্রোমোজম পাওয়া যায়। ভারতে দিল্লিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনাল থেকে বহিষ্কার করা হয় ২৫ বর্ষী বক্সারকে। একই কারণে ব্রোঞ্জ পদকের লড়াই থেকে বাদ দেয়া হয় চাইনিজ তাইপের লিন ইউ তিংকেও। দুজনকেই প্যারিসে খেলার অনুমতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি)।
বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে গত মঙ্গলবার আইওসি মুখপাত্র মার্ক অ্যাডামস বলেছেন, ‘শুধু বলব, নারী বিভাগের সকল প্রতিযোগী যোগ্যতার নিয়ম অনুযায়ী টুর্নামেন্টে এসেছে। পাসপোর্টে তারা নারী। এই ক্রীড়াবিদরা অনেক বছর ধরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। তারা হঠাৎ করে আসেনি।







