অভিযোগ উঠেছে প্যারিস অলিম্পিকে চীনের সাঁতারুদের প্রয়োজনের অধিক ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে। ক্ষেত্রবিশেষে একইদিনে সাতবার পর্যন্ত করা হচ্ছে পরীক্ষা। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের উপর যার প্রভাব পড়ছে, দাবি করেছেন চীনের বেশকিছু সাঁতারু।
১৯৮৮ ও ১৯৯২ অলিম্পিকে স্প্রিংবোর্ড ইভেন্টে স্বর্ণপদক জয়ী গাও মিন চীনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘মূল প্রতিযোগিতা শুরুর আগে অ্যাথলেটদের প্রশিক্ষণের সময় অবশ্য কিছু ভুল হতে পারে। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি দিনে সাতবার ডোপিং পরীক্ষায় চীনের সাঁতার দলে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে।’
২০২১ সালে টোকিও অলিম্পিকে ১০০ মিটার বাটারফ্লাইয়ে রৌপ্যপদক জয়ী ঝাং ইউফেই প্যারিসে একই ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছেন। চীনের আরেক সাঁতারু কিন হাইয়াং ছেলেদের ১০০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে সপ্তম হয়েছেন এবং একই ইভেন্টে গত বছর তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে জিতেছিলেন।
প্যারিস অলিম্পিকেও ১১ জন চীনা সাঁতারুর মধ্যে রয়েছেন সেই দুজন, যারা টোকিও অলিম্পিকে নিষিদ্ধ হার্টের ওষুধের জন্য নিষেধাজ্ঞায় ছিলেন। যে কারণে এবারের আসরে চীনের খেলোয়াড়দের প্রতি হয়ত বিশেষ নজর দিচ্ছে প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটি।
সাঁতারের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতে, এবছরের শুরু থেকে চীনা সাঁতারুদের গড়ে ২১ বার পরীক্ষা করা হয়েছে, আমেরিকান সাঁতারুদের তুলনায় ছয়বার বেশি।







