গাজায় মানবিক কারণে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাস হওয়া প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়েছে হামাস এবং ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ। তারা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবটি গ্রহণ করলেও একই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।
সিএনএন জানিয়েছে, আজ (২৮ অক্টোবর) শনিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিপুল ভোটে পাস হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর অঞ্চলে ক্ষমতাসীন ফাতাহ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এছাড়াও একই দিনে একটি পৃথক বিবৃতিতে এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানায় গাজার স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। তবে যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।
ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া একটি বিবৃতিতে বলা হয়, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর সংঘটিত অপরাধ ও ইচ্ছাকৃতভাবে আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করার বিরুদ্ধে বৈশ্বিক সম্প্রদায় স্পষ্ট ও ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ করেছে। আমরা এই প্রতিবাদকে স্বাগত জানাই। ইসরায়েলের অভিযান বর্বরতার নতুন শিখরে পৌঁছেছে। সেখানে ইসরায়েলের লাগাতার আগ্রাসন উপেক্ষা করে এই প্রস্তাবটি একটি দৃঢ় আন্তর্জাতিক অবস্থান।
তারা আরও জানায়, এই প্রস্তাব ও ভোটের ফলাফল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নৈতিক সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছে এবং একই সঙ্গে এই যুদ্ধ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন শক্তির দ্বিমুখী অবস্থান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের রাজনীতিকরণের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে। আন্তর্জাতিক আইনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর এই প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।
তবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা অনুমোদিত গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করছে ইসরায়েল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (টুইটার) একটি পোস্টে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেন বলেন, আমরা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের যুদ্ধবিরতির ঘৃণ্য আহ্বানকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করছি। ইসরায়েল হামাসকে সেভাবেই নির্মূল করতে চায় যেভাবে বিশ্ব নাৎসি এবং আইএসআইএসকে মোকাবেলা করেছিল।
এদিকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের একটি বিবৃতিতে তারা জানায়, আমরা বেসামরিক নাগরিকদের জন্য জ্বালানি ও মানবিক সহায়তা বা ত্রাণ প্রবেশের সুযোগ দিতে অবিলম্বে এর (জাতিসংঘে পাস হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব) বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।








