ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে প্রথমটি ইনিংস ও ৪৭ রানের ব্যবধানে হার দিয়ে শুরু করেছিল পাকিস্তান। পরে স্বাগতিকরা দলে আনে ডান ও বাঁহাতি দুই স্পিনার সাজিদ খান ও নোমান আলীকে। দুই স্পিনারের ঘূর্ণির সামনে আর কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি বেন স্টোকসের দল। শেষ টেস্টে বড় ব্যবধানে জিতে ২-১এ সিরিজ ঘরে রেখেছে শান মাসুদের পাকিস্তান। ম্যাচসেরা হয়েছেন সেঞ্চুরিয়ান সৌদ শাকিল।
তৃতীয় ও শেষ টেস্টে প্রথম ইনিংসে জেমি স্মিথ ও বেন ডাকেটে ভর করে ২৬৭ রান তুলেছিল ইংল্যান্ড। সাজিদ নিয়েছিলেন ৬ উইকেট, নোমান ৩টি। জবাবে সৌদ শাকিলের সেঞ্চুরিতে (১৩৪) এবং নোমান-সাজিদের ছোট দুই ক্যামিওতে পাকিস্তান ৩৪৪ রান তুললে ৭৭ রানের লিড পায়। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটে নেমে ইংল্যান্ড আবারও সাজিদ-নোমানের তোপে পথ হারায়, ১১২ রানে অলআউট হয়। স্বাগতিকদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৬। ৯ উইকেট হাতে রেখে পাকিস্তান সহজে জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে।
শেষ দুই টেস্টের চার ইনিংসের মধ্যে পাকিস্তানের দুই স্পিনার সাজিদ খান ও নোমান আলী তৃতীয়বার ইংল্যান্ডের ১০ উইকেট ভাগ করে নিয়েছেন। চার ইনিংসে ৪০ উইকেটের ৩৯টি নিয়েছেন দুজনে। চার ইনিংসে ইংল্যান্ডের ৪০ উইকেটের সবগুলো নিয়েছেন পাকিস্তানের তিন স্পিনার। দুই টেস্টে সাজিদ নিয়েছেন ১৯ উইকেট, নোমান নিয়েছেন ২০ উইকেট।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মোটেও সুবিধা করতে পারেনি ইংল্যান্ড, আবারও নোমান-সাজিদের তোপে পড়ে। জো রুটের সর্বোচ্চ ৩৩ এবং হ্যারি ব্রুকের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬ রানে ১১২ তোলে তারা। পাকিস্তানের দেয়া প্রথম ইনিংসের ৭৭ রান পেরিয়ে লিড দিতে পারে মাত্র ৩৫ রানের। এ ইনিংসে নোমান নেন ৬ উইকেট এবং সাজিদ নেন ৪ উইকেট।
৩৬ রানে জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান হারায় সাইম আইয়ুবের উইকেট। শান মাসুদের ৬ বলে ঝড়ো ২৩ রানের ইনিংসে ৯ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে দলটি। ২০২১ সালের পর ঘরের মাটিতে এটি পাকিস্তানের প্রথম সিরিজ জয়।







